6aedc367-3780-4eab-a62a-2f7a760b81ff

ব্রেইন স্ট্রোক কি – ব্রেইন স্ট্রোক কেন হয়

  • Views: 262

Description

ব্রেইন স্ট্রোক কি:

ব্রেইন স্ট্রোক বা রক্তে রক্তাক্ত বাধার বাধা এমন একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যা, যা সময়মতো চেষ্টা ও চিকিৎসা না হলে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বা স্থায়ীভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত করতে পারে। আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বিভিন্ন ডাক্তার ও রোগীর রোগীর সাথে কথা বলে এবং দীর্ঘের অবস্থা থেকে যে তথ্যের ফলাফলগুলি, সেইটিই পাওয়ারের বিস্তারিত আলোচনা, তাই সাধারণ মানুষদের জন্য আলোচনা করতে পারে এবং সময়মতো পদক্ষেপ নিতে পারে।


ব্রেইন স্ট্রোক কী?

ব্রেইন স্ট্রোক এমন একটি অবস্থা, যখন রক্তে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায় বা রক্তে রক্তপাত হয়। বন্দুকের নির্দিষ্ট অংশ অক্সিজেন থেকে বঞ্চিত হওয়া বন্ধ করে মারা যেতে পারে। এই সম্পর্ক যত বেশি সময় ধরে হয়, বেশি শারীরিক ক্ষতি হয়।


ব্রেইন স্ট্রোক কত প্রকার?

ব্রেইন স্ট্রোক স্বতন্ত্র দুই ধরনের হয়:

  1. ইসকেমিক স্ট্রোক (ইস্কেমিক স্ট্রোক):
    এটি সবচেয়ে সাধারণ ধরনের স্ট্রোক (প্রায় ৮৭% ক্ষেত্রে)। সহজে রক্ত ​​সরবরাহকারী ধমনী ব্লক হয়। এটি আবার দুই রকম হয়:

    • থ্রোম্বোটিক স্ট্রোক : হৃদয়ের ধমনীতে জমাট বাঁধা রক্তের কারণে
    • এম্বোল স্ট্রোক : অন্য বিকল্প (যেমন: হৃদপিণ্ড) জমাট বাঁধা রক্তে ব্লক ব্লক করে
  2. হেমোরেজ স্ট্রোক (হেমোর্যাজিক স্ট্রোক):
    একের পর এক ধমনী ফেটেবল হয়। পরিবহন রক্তপাত হয় এবং আপনার চাপে পড়ে। এটি সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ বা ব্রেইন অ্যানিউরিজমের কারণে থাকে।

আরও পড়ুন::উচ্চ রক্তচাপ এর কারণ, অনেকটা ও প্রতিকার

আরও এক প্রকারের স্ট্রোক যা সচরাচর দেখা যায়:

  • টিআইএ (ট্রানজিয়েন্ট ইস্কেমিক অ্যাটাক):
    প্ল্যাগ মিনি স্ট্রোক বলা হয়। এটি বাস্তবে জিনিষের জন্য রক্তপাতের বিঘ্ন ঘটতে পারে, কিন্তু ক্ষতি হয় না। তবে বড় স্ট্রোকার বিপদ সৃষ্টি করে।

ব্রেইন স্ট্রোক কেন হয়?

স্ট্রোকার কিছু সাধারণ কারণ রয়েছে, যেমন:

  • উচ্চ রক্তচাপ(উচ্চ রক্তচাপ)
  • ডায়াবেটিস
  • উমপান ও অ্যালকোহল গ্রহণ
  • হার্টের সমস্যা (জিমন: অ্যারিথমিয়া, এফিব্রিফেশন)
  • শুধু কোলেস্টেরল
  • স্থূলতা ও অনিয়মিত জীবনধারা
  • স্ট্রেস ও পুলিশ চাপ
  • সামাজিক ইতিহাস বা বংশগত কারণ

স্ট্রোক হয়েছে কি না, তা কিভাবে বুঝব?

আমার অভিজ্ঞতায় সবচেয়ে কার্যকর উপায় দ্রুত মনে রাখা:

  • F (মুখ ঝুলে পড়া): মুখের পাশ বেঁকে বা হাসলে অমিল
  • A (বাহুর দুর্বলতা): এক হাতে নিজেকে পেতে বা দিতে না পারা
  • S (কথার অসুবিধা): কথা বলা, অস্পষ্ট বলা
  • T (টাইম কল ইমার্জেন্সি): এই দেখা সামনে এগিয়ে আসার জন্য এগিয়ে যাওয়ার জন্য

অন্যান্য উপসর্গ:

  • আকাশ দেখতে ঝাপসা দেখা বা অন্ধত্ব
  • পাল্ট এক প্রকাশতা বা অবশতা
  • হঠাৎ ভার্সাম্য হারিয়ে ফেলা
  • মাথাব্যথা(বিশেষ করে হেরেজিক স্ট্রোকে)

প্রেশার কত হলে স্ট্রোক হতে পারে?

যদিও একটি নির্দিষ্ট মান কঠিন বলা হয়, তবে সাধারণভাবে যদি রক্তচাপ থাকে:

  • ১৮০/১২০ mmHg বা তার বেশি , তাহলে হাইপার ক্রিসিস হয় তা থেকে স্ট্রোক সংখ্যা এবং ভয়ানক বেশি।

তবে সর্বোচ্চ ১৪০/৯০ mmHg বা বেশি প্রেসার ধমনী হতে পারে, যা স্ট্রোক ঝুঁকি বাড়ায়।


ব্রেইন স্ট্রোকার ডাক্তার কোন ডাক্তার দিয়ে থাকেন?

ব্রেইন স্ট্রোক হলে দলিদের শরণা সম্পন্ন হতে হয়

  • নিউরোলজিস্ট(নিউরোলজিস্ট): প্রধান চিকিৎসা ও অবস্থা করেন।
  • নিউরোসার্জন: যদি রক্তে রক্ত ​​জমে বা চাপে, তাহলে শল্য চিকিৎসা প্রয়োজন
  • ফিজ অ্যাপার্টমেন্ট মেডিসিন স্পেশালিস্ট: পুনর্বাসন ও থেরাপির জন্য
  • কার্ডিওলজিস্ট: হৃদ্‌রোগ থাকলে সহ-পরিচর্যা করতে হয়
রাজশাহীর এসকল ডাক্তার ডাক্তারের পরামর্শের জন্য তাদের ডাকতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫১৪ এই নম্বরে।

ব্রেইন স্ট্রোক নির্ণয়ে পরীক্ষা করা হয়:

  1. মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যান: দ্রুত স্ট্রোকার ধরন (ইসকেমিক না হেমোরেজিক) চিহ্নিত করা
  2. ব্রেইনের এমআরআই: আরও চিত্র ও মনের ক্ষতির কারণ জানতে
  3. রক্তচাপ পরিমাপ
  4. রক্ত পরীক্ষা (সিবিসি, গ্লুকোজ, লিপিড প্রোফাইল, জমাট বাঁধার প্রোফাইল)
  5. ECG/Echo: হৃদ্‌রোগ আছে কি না তার জন্য
  6. ক্যারোটিড ডপলার টেস্ট: ঘাড়ের ধমনীতে কোনো ব্লক আছে কি না তা দেখার জন্য

ব্রেইন স্ট্রোক একটি তাৎক্ষণিক ও অবস্থা। তাই ভালো চিকিৎসা। প্রেসার মাপা খাদ্য, ব্যায়াম ধূমপান বর্জন এবং স্ট্রোকার প্রাথমিক জানাতে অনেকাংশে জীবন বাঁচানো সম্ভব।

 

আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম, যদি আপনার
রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল 
এবং আমাদের সেবা  পেতে যোগাযোগ করুনঃ  ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
আমরা অনলাইনে আছি এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।

 

Map View

Location

Rajshahi

Rating

Leave feedback about this

  • Rating