682e24c0ab6b8

খাদ্যস্টোন বৃদ্ধিতে সহায়ক উপাদান

  • Views: 171

Description

খাদ্যস্টোন বৃদ্ধিতে সহায়ক উপাদান

খাদ্যস্টোন বৃদ্ধিতে সহায়ক উপাদান: কলিস্টোস্টেরন—হরমোটির নাম শুনলেই মনে হয় অনেক পুরুষত্ব, শক্তি বা যৌন ক্ষমতার এই গান আসে। কিন্তু বাস্তবতা, কলোস্টোস্টেরন শুধুমাত্র যৌন শক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, এটি আমাদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অংশের সাথে। রাজনীতিক হরমোনস্টোডের আলোচনার বর্তমান সময়ে অনেক নারীদের জন্য একটি বড় সমস্যা।


কাস্টোস্টেরন কী?

কস্টোস্টেরনহা একটি স্টেরয়েড হরমোন, যা প্রকৃত পুরুষদের অন্ডকোষ (অন্ডকোষ) থেকে নিঃসৃত হয়। নারীদের শরীরেও এটি নিঃসৃত হয়, তবে অনেক কম পছন্দে। এই মোহরটি পুরুষদের মধ্যে যৌন ইচ্ছাশক্তি, শিক্ষিকা শক্তি, নক্ষত্র, লাল রক্তকণিকা বন্ধন, এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


কাস্টোস্টেরনের কাজ কী কী

ভালো মানুষদের নেতাদের স্বাভাবিক আচরণ কম, তারা বেশ কিছু মনে করে থাকেন। যেমন:

  • যৌন ইচ্ছার ঘাটি
  • স্থায়ীত্ব ও শক্তি অভাব
  • মনমরা ভাব বা বিষণ্ণতা
  • পেশিশক্তি ও সহনশীলতা কম
  • ও পেশির বোঝার জমা জমা

সমস্যা যদি সময়মতো নজরে না আসে, তাহলে আপনার জীবন ও আত্মবিশ্বাসে প্রভাব পড়ে।


খাদ্যস্টোন বৃদ্ধিতে সহায়ক উপাদান

পানির কিছু প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান প্রদান করা যা কস্টোস্টেরন বাড়াতে সহায়তা করতে পারে:

  1. ডিম:
    ডিমের কুসুমেকল কোলেস্টেরল থাকে, যা কংগ্রেসোস্টেরন তৈরির জন্য সম্পূর্ণমাল হিসাবে কাজ করে।
  2. চিংড়ি ও সামদ্রিক মাছ:
    এইসব খাবারে জিঙ্ক (জিঙ্ক) ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা হরমোনের ভার্সাম্য সাহায্য করে।
  3. বাদাম ও বীজজাত খাবার (জেমন: কাঠবাদাম, কুমড়োর বীজ):
    মিলের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও ভিটামিন ই, যা হরমোন গঠনে সহায়ক।
  4. ব্রোকলি, পালং শাক ও অন্যান্য সবুজ শাকসবজি:
    ব্যবসায়িক এস্ট্রোজেন হারমোন কমিয়ে কমিশনোস্টের উন্নতিতে সাহায্য করুন।
  5. রসুন ও পেয়াজ:
    গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে শরীরে লুটেজইনিং হরমোন বাড়াতে পারে, যা কাউন্সিলোস্টেরের ব্লককে উদ্দীপিত করে।
  6. অ্যাভোকাডো ও অলিভ অয়েল:
    স্বাস্থ্যকর ফ্যাটে পরিপূর্ণ এই উপাদানগুলোকে কমিশনোস্টেরের জন্য প্রযুক্তি।
  7. ডাক্ট চকোলেট (সীমিত ভোটে):
    স্ট্যাপ স্ট্যান্ড ফ্ল্যাভোনয়েড ওগনেসিয়াম কমিশনোস্টেরন ম্যা বাড়াতে সাহায্য করে।

জীবনপানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ যা হরমোন বৃদ্ধিতে সহায়ক:

  • ঘুম: রাত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম খুবই জরুরি।
  • ব্যায়াম: বিশেষ করে ভারোত্তোলন (ওজন প্রশিক্ষণ) বা হাই-ইন্টেনসিটি এক্সারসেজেস (HIIT) কাউন্সিলোস্টেরন বাড়াতে সাহায্য করে।
  • স্ট্রেস কমানো: কর্টিসল হরমোনলে কস্টোস্টের নামকরণ করতে পারে। তাই চাপ কম করা জরুরি।
  • অ্যালকোহল ও প্রক্রিয়াজাত বার্তা এ দেখা।

রাজনীতির ঘাটতি হলে কোন ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন?

যদি আপনার নেতাদের হরমোন কমের হয়, তাহলে আপনাকে এন্ডোক্রিনোলজি (এন্ডোক্রিনোলজি) ডাক্তার ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তারা হরমোন বিষয়ক রোগ ও ভরসাম্য নিয়ে কাজ করেন। কখনো কখনো ইউরোলজিস্ট অভ্যন্তরীণ চিকিৎসা সেবা প্রদান এই বিষয়ে সহায়তা করতে পারেন।

নিচে কিছু এন্ডোক্রিনোলজি ডাক্তার ডাক্তারের নাম দেওয়া:

ডাঃ মোঃ মতিউর রহমান

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (মেডিসিন), ডিআইএম (বারডেম), ম্যাস (ইউএসএ), এফএসপি (ইউএসএ)

মেডি, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন অনুমতি

সিরিয়ালের জন্য কল করুন:০১৩২৬-৬৩৩১৬০
           হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬

 

ডাঃ মাসুদ উন্‌

এমবিএস, এমডি (এন্ডোক্রিনোলজি)

হরমোন, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড এবং মেডিসিন লাইসেন্স

সিরিয়ালের জন্য কল করুন:০১৩২৬-৬৩৩১৬০
           হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬

 

ডাঃ ডি এ রশিদ

এমবিএস, এমসিপিএস, এমডি (এন্ডোক্রিনোলজি)

ডায়াবিস ও হরমোনেট

সিরিয়ালের জন্য কল করুন:০১৩২৬-৬৩৩১৬০
           হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬

 

ডাঃ এএইচএম আখতার এগিয়ে

এমবিবিএস (ঢাকা), এমসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (এন্ডোক্রিনোলজি)

মেডি, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন অনুমতি

সিরিয়ালের জন্য কল করুন:০১৩২৬-৬৩৩১৬০
           হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬

 

স্বনির্ধারিত গণগণনা রাজশাহী বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক কেন্দ্রের ক্ষেত্রে তাদের চিকিৎসা সেবা। এসকল ডক্টরগণের পরামর্শ ও তাদের বার্তা দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

www.healthservicesbd.com। প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ০১৩২৬-৬৩৩১৬০ এই নম্বরে |

আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম, যদি আপনার

রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল 

এবং আমাদের সেবা  পেতে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩২৬-৬৩৩১৬০

আমরা অনলাইনে আছি এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।

Map View

Location

Rajshahi

Rating

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “খাদ্যস্টোন বৃদ্ধিতে সহায়ক উপাদান”