ফোলিক এসিড হলো ভিটামিন বি–৯ (Vitamin B9) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপ। এটি শরীরে নতুন কোষ তৈরি, রক্ত গঠন এবং শিশুর সঠিক বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় ফোলিক এসিড খুবই প্রয়োজনীয়।
গর্ভাবস্থায় ফোলিক এসিড কেন প্রয়োজন?
গর্ভাবস্থার শুরুতে শিশুর মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ড তৈরি হয়। এই সময় পর্যাপ্ত ফোলিক এসিড না থাকলে শিশুর জন্মগত কিছু ত্রুটি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
ফোলিক এসিডের উপকারিতা
- শিশুর মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক গঠন করতে সাহায্য করে
- জন্মগত ত্রুটি যেমন Neural Tube Defect প্রতিরোধে সাহায্য করে
- মায়ের রক্তশূন্যতা কমাতে সাহায্য করে
- নতুন কোষ তৈরিতে সহায়তা করে
- গর্ভের শিশুর বৃদ্ধি ভালো রাখে
কখন থেকে ফোলিক এসিড খাওয়া উচিত?
- গর্ভধারণের অন্তত ১ মাস আগে থেকে শুরু করা ভালো
- গর্ভাবস্থার প্রথম ৩ মাস নিয়মিত খাওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ
- অনেক চিকিৎসক পুরো গর্ভাবস্থায় চালিয়ে যেতে বলেন
সাধারণত কতটুকু প্রয়োজন?
সাধারণভাবে:
- গর্ভধারণের আগে ও গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন ৪০০–৬০০ মাইক্রোগ্রাম ফোলিক এসিড প্রয়োজন হতে পারে
তবে ডোজ ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
ফোলিক এসিড কোন খাবারে পাওয়া যায়?
ফোলিক এসিড সমৃদ্ধ খাবার:
- শাকসবজি (পালং শাক, ব্রকলি)
- ডাল ও ছোলা
- ডিম
- কলিজা
- কমলা ও লেবুজাতীয় ফল
- বাদাম
- ফোর্টিফাইড সিরিয়াল
ফোলিক এসিডের অভাবে কী হতে পারে?
- রক্তশূন্যতা
- দুর্বলতা ও ক্লান্তি
- গর্ভের শিশুর জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি বৃদ্ধি
- শিশুর কম ওজন নিয়ে জন্ম
সতর্কতা
নিজে থেকে অতিরিক্ত ফোলিক এসিড খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে যদি ডায়াবেটিস, মৃগী রোগ বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি রোগ থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
ডাঃ আশরাফুন নেছা (মমি)
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (গাইনী ও প্রসূতি)
প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ সার্জন
সহকারী অধ্যাপক (গাইনি ও অবস)
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
চেম্বার :
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড (ভবন-১) রাজশাহী
বায়োপ্যাথ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রাজশাহী।
সিরিয়ালের জন্য কল করুন:০১৩২৬-৬৩৩১৬০
হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬
আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম, যদি আপনার
রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল
এবং আমাদের সেবা পেতে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
আমরা অনলাইনে আছি এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।