আপডেট
ডাঃ ফজলুর রহমান (শীমন) । শিশু বিশেষজ্ঞ । রাজশাহীডাঃ এম এ মুন্নাফ সরকার । মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। রাজশাহী পপুলাররাজশাহীতে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ কোন ডাক্তার ভালো চিকিৎসা দেন । ডাঃ এম এ মুন্নাফ সরকারইউরিক এসিড কি ? ও ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে করণীয় কি এবং চিকিৎসাডাঃ মোহাম্মদ নাসিম হোসেন / চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন / রাজশাহী পপুলার

গ্লুকোমা (Glaucoma) কী?

গ্লুকোমা হলো চোখের একটি গুরুতর রোগ, যেখানে চোখের ভেতরের চাপ (Intraocular Pressure) বেড়ে যেতে পারে এবং এর ফলে চোখের অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চিকিৎসা না করলে ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে পারে, এমনকি স্থায়ী অন্ধত্বও হতে পারে।

গ্লুকোমা কেন হয়?

গ্লুকোমার সঠিক কারণ সব সময় জানা যায় না। তবে কিছু ঝুঁকির কারণ হলো:

  • চোখের ভেতরের চাপ বেড়ে যাওয়া
  • বয়স ৪০ বছরের বেশি হওয়া
  • পরিবারে গ্লুকোমার ইতিহাস থাকা
  • ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ
  • দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ওষুধ ব্যবহার
  • চোখে আঘাত পাওয়া
  • অতিরিক্ত কাছের বা দূরের দৃষ্টির সমস্যা

গ্লুকোমার লক্ষণ

প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণ থাকে না। তবে দেখা দিতে পারে:

  • ধীরে ধীরে পার্শ্বীয় (পাশের) দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া
  • চোখে ব্যথা
  • মাথাব্যথা
  • ঝাপসা দেখা
  • আলো দেখলে চারপাশে রঙিন বৃত্ত দেখা
  • চোখ লাল হয়ে যাওয়া
  • বমি বমি ভাব বা বমি (তীব্র গ্লুকোমায়)

করণীয়

  • নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করুন, বিশেষ করে ৪০ বছরের পর।
  • ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েড ব্যবহার করবেন না।
  • চোখে ব্যথা বা হঠাৎ ঝাপসা দেখলে দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে যান।

চিকিৎসা

গ্লুকোমার চিকিৎসার লক্ষ্য হলো চোখের চাপ কমানো এবং অপটিক নার্ভকে রক্ষা করা।

  • চোখের ড্রপ: চোখের চাপ কমাতে ব্যবহৃত হয়।
  • ওষুধ: কিছু ক্ষেত্রে মুখে খাওয়ার ওষুধ দেওয়া হয়।
  • লেজার চিকিৎসা: নির্দিষ্ট ধরনের গ্লুকোমায় কার্যকর।
  • অপারেশন: ওষুধ বা লেজারে কাজ না হলে অস্ত্রোপচার করা হতে পারে।

কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন?

নিচের লক্ষণ থাকলে জরুরি ভিত্তিতে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন:

  • হঠাৎ চোখে তীব্র ব্যথা
  • হঠাৎ দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া
  • চোখ লাল হওয়া
  • বমি বা বমি বমি ভাবের সঙ্গে চোখের সমস্যা

গ্লুকোমা দ্রুত শনাক্ত করা গেলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করা সম্ভব। তাই নিয়মিত চোখ পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চক্ষু বিশেষজ্ঞ

ডাঃ মোহাম্মদ নাসিম হোসেন

এমবিবিএস, ডিও (ডিইউ), ডিসিও (সিইউ)
চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
বিএমডিসি রেজি: A17660
প্রাক্তন সহকারী অধ্যাপক (চক্ষু)
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী

সিরিয়ালের জন্য কল করুন:০১৩২৬-৬৩৩১৬০
          হোয়াটসঅ্যাপ করুন:০১৭৬৬-০৮৬৭১৬

চেম্বার :
আল আরাফা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রাজশাহী
সময়: দুপুর ২.৩০টা- রাত ৯টা

 ডাক্তারের পরামর্শ ফি:
নতুন রোগী ৳৭০০ টাকা
পুরাতন রোগী ৳৫০০ টাকা
বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের  সংক্ষিপ্ত বিবরণ !

ডাঃ মোহাম্মদ নাসিম হোসেন একজন অভিজ্ঞ এবং অত্যন্ত দক্ষ চক্ষু বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চক্ষুবিদ্যায় উচ্চতর যোগ্যতা অর্জন করেছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে সহকারী অধ্যাপক (চক্ষু) হিসেবে কর্মজীবন সহ বহু বছরের ক্লিনিক্যাল এবং শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার অধিকারী, ডাঃ হোসেন ব্যাপক চক্ষু সেবা প্রদানে নিবেদিতপ্রাণ। তিনি ছানি, গ্লুকোমা, প্রতিসরাঙ্ক ত্রুটি, ডায়াবেটিক চক্ষু রোগ এবং অন্যান্য দৃষ্টি-সম্পর্কিত অবস্থার নির্ণয় এবং অস্ত্রোপচার ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞ। তার সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি এবং দক্ষতা তাকে উন্নতমানের চক্ষু চিকিৎসার জন্য অসংখ্য রোগীর আস্থা অর্জন করেছে। তিনি রাজশাহীর আল-আরাফা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকে তার রোগীর চিকিৎসা করেন। সময়: বিকাল ৩:৩০ – রাত ৮:৩০।

আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতমযদি আপনার

রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল 

এবং আমাদের সেবা  পেতে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩২৬-৬৩৩১৬০

আমরা অনলাইনে আছি এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।

Sozol Mahmud (Nishan)

(BSc) in Laboratory Medicine, Rajshahi Medical University.