ইউরিক এসিড কী?
ইউরিক এসিড হলো শরীরের একটি বর্জ্য পদার্থ, যা পিউরিন (Purine) নামক উপাদান ভাঙার ফলে তৈরি হয়। পিউরিন আমাদের শরীরেও স্বাভাবিকভাবে থাকে এবং কিছু খাবারেও পাওয়া যায়। সাধারণত ইউরিক এসিড কিডনির মাধ্যমে প্রস্রাবের সাথে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
যখন শরীরে অতিরিক্ত ইউরিক এসিড তৈরি হয় বা কিডনি যথেষ্ট পরিমাণে তা বের করতে পারে না, তখন রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে যায় (Hyperuricemia)।
ইউরিক এসিড বেড়ে যাওয়ার কারণ
১. অতিরিক্ত লাল মাংস, কলিজা, গরু-খাসির মাংস খাওয়া
২. সামুদ্রিক মাছ ও চিংড়ি বেশি খাওয়া
৩. স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন
৪. কিডনি রোগ
৫. ডায়াবেটিস
৬. উচ্চ রক্তচাপ
৭. বংশগত কারণ
৮. অ্যালকোহল পান
৯. পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া
১০. কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে কী সমস্যা হয়?
- গিঁটে ব্যথা ও ফোলা
- বিশেষ করে পায়ের বুড়ো আঙুলে তীব্র ব্যথা (গাউট)
- হাঁটু, গোড়ালি ও আঙুলের জয়েন্টে ব্যথা
- কিডনিতে পাথর হতে পারে
- দীর্ঘদিন বেশি থাকলে কিডনির ক্ষতি হতে পারে
করণীয়
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন
✅ প্রচুর পানি পান করুন (প্রতিদিন ২–৩ লিটার, যদি ডাক্তার অন্য নির্দেশ না দেন)
✅ বেশি খান:
- শাকসবজি
- ফলমূল
- কম চর্বিযুক্ত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
- পূর্ণ শস্যজাত খাবার
❌ কম খান:
- কলিজা, মগজ, গুর্দা
- লাল মাংস
- চিংড়ি ও কিছু সামুদ্রিক মাছ
- কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার
জীবনযাপন
- নিয়মিত ব্যায়াম করুন
- ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
- ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার করুন
চিকিৎসা
ইউরিক এসিড বেশি থাকলেই সব সময় ওষুধ লাগে না। যদি গাউট, কিডনিতে পাথর বা বারবার জয়েন্টে ব্যথা হয়, তাহলে ডাক্তার ওষুধ দিতে পারেন।
ব্যবহৃত ওষুধের মধ্যে রয়েছে:
- Allopurinol
- Febuxostat
গাউটের তীব্র ব্যথার সময় চিকিৎসকের পরামর্শে অন্যান্য ব্যথানাশক বা প্রদাহনাশক ওষুধও ব্যবহার করা হতে পারে।
কোন ডাক্তার দেখাবেন?
- মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
- রিউমাটোলজিস্ট (যদি গাউট বা জয়েন্টের সমস্যা থাকে)
- নেফ্রোলজিস্ট (যদি কিডনির সমস্যা থাকে)
জরুরি পরামর্শ: যদি হঠাৎ কোনো জয়েন্টে তীব্র ব্যথা, লালচে ফোলা বা জ্বরের সাথে ব্যথা হয়, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ডাঃ মোঃ আব্দুল হাকিম
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এফসিপিএস (মেডিসিন) এমডি (নেফ্রোলজি)
কিডনী রোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
বিএমডিসি রেজি নংঃ ৪৮১০৮
যে সকল উপসর্গ দেখা দিলে বুঝবেন আপনার কিডনিতে সমস্যা থাকতে পারে এবং তখন একজন নেফ্রোলজি বিশেষজ্ঞ এর শরণাপন্ন হওয়া জরুরি
- ক্লান্তি বা অবসাদ
- ক্ষুধামন্দা ও বমি বমি ভাব
- পিঠ ব্যথা
- বার বার প্রস্রাব করা, বিশেষ করে রাতে বেশি
- প্রস্রাব কম বা বেশি হওয়া
- শ্বাস কষ্ট ও অল্পতে হাপিয়ে উঠা
- প্রস্রাবে জ্বালা পোড়া ও রক্ত বা পূজ বের হওয়া
- চোখ, মুখ ও পায়ের গোড়ালি ফুলে যাওয়া
- পেট ও কোমড়ে ব্যথা
- রক্তশূন্যতার কারণে রঙ ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া
- ত্বকে র্যাশ বা চুলকানি
চেম্বার:
ল্যাবএইড ডায়াগনষ্টিক রাজশাহী (বৃহস্পতি ও শুক্রবার বন্ধ)
সময়: দুপুর ২.৩০ থেকে ৪টা
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহী ভবন – ১
সময়: বিকাল ৪টা-রাত ৯টা
ভিজিট ফি:
নতুন রোগী ৭০০ টাকা,
পুরাতন রোগী-৫০০ টাকা!
সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬
বিভাগীয় প্রধান ডাঃ তারিকুল ইসলাম খান (তারেক)
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (ফিজিকাল মেডিসিন)
বাত-ব্যাথা, প্যারালাইসিস, নিউরো ও স্পোর্টস ইনজুরি বিশেষজ্ঞ
সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান
ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী
যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়
বাত ব্যাথা।
পি.এল.আই.ডি।
রিউম্যাটোলজিক্যাল ডিজিজ।
নিউরো এবং অর্থোপেডিক পুনর্বাসন বিশেষজ্ঞ।
বয়স্কদের মস্তিষ্ক, মেরুদন্ড, স্নায়ু, হাড়, জয়েন্ট, লিগামেন্ট, পেশী ইত্যাদি অঙ্গের সমস্যা
হাত ও পায়ের শক্তি কমে যাওয়া
হাত পা শুকিয়ে যাওয়া
চেম্বার:
ল্যাবএইড ডায়াগনষ্টিক রাজশাহী (বৃহস্পতি ও শুক্রবার বন্ধ)
সময়: দুপুর ২.৩০ থেকে ৪টা
সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬
আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম, যদি আপনার
রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল
এবং আমাদের সেবা পেতে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
আমরা অনলাইনে আছি এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।