আপডেট
ডাঃ মোসাঃ আঞ্জুমান আরা / মহিলা সার্জন বা  ব্রেস্ট, কোলোরেক্টাল সার্জারী / রাজশাহী পপুলাররাজশাহীতে মহিলা সার্জন বেস্ট ও পাইলস বা কালোরেক্টাল সার্জন কেন প্রয়জোন বা ভালো কে আছেনডাঃ মোঃ মাহফুজুর রহমান (মাহফুজ) । অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন । রাজশাহী পপুলারস্কোলিওসিস কি ? স্কোলিওসিস কেন হয় ও করণীয় কি বা চিকিৎসাজিঙ্ক কি ? জিঙ্ক কেন কমে যায় ও জিঙ্ক কমে গেলে করণীয় কি বা চিকিৎসা

জিঙ্ক (Zinc) কী?
জিঙ্ক একটি অত্যাবশ্যক খনিজ (mineral) যা শরীরের বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, ক্ষত নিরাময়, স্বাদ-গন্ধ অনুভব, ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শরীর নিজে জিঙ্ক তৈরি করতে পারে না, তাই খাবার থেকে এটি গ্রহণ করতে হয়।

জিঙ্ক কেন কমে যায়?

জিঙ্কের ঘাটতির সাধারণ কারণগুলো হলো:

  1. অপুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস – জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবার কম খাওয়া।
  2. দীর্ঘদিন ডায়রিয়া – মলের সাথে জিঙ্ক বের হয়ে যায়।
  3. অন্ত্রের শোষণজনিত সমস্যা – যেমন Crohn’s Disease বা Celiac Disease।
  4. লিভার বা কিডনির দীর্ঘমেয়াদি রোগ
  5. গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকাল – শরীরের চাহিদা বেড়ে যায়।
  6. বয়স্কদের ক্ষেত্রে খাবার থেকে জিঙ্ক শোষণ কমে যেতে পারে।
  7. অতিরিক্ত মদ্যপান
  8. কিছু ওষুধের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার

জিঙ্ক কমে গেলে কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে?

  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া
  • ঘন ঘন সংক্রমণ হওয়া
  • ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া
  • ক্ষুধামন্দা
  • স্বাদ বা গন্ধ কম অনুভব করা
  • চুল পড়া
  • ত্বকের সমস্যা
  • শিশুদের বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া
  • দুর্বলতা ও ক্লান্তি
  • পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রজনন সমস্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি

জিঙ্ক কমে গেলে করণীয়

খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন

জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবার বেশি খান:

  • গরু ও খাসির মাংস
  • মাছ ও সামুদ্রিক মাছ
  • ডিম
  • দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
  • মুরগির মাংস
  • বাদাম (কাজু, কাঠবাদাম)
  • কুমড়ার বীজ
  • ডাল ও শিমজাতীয় খাবার

ডায়রিয়া হলে

বিশেষ করে শিশুদের ডায়রিয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জিঙ্ক ট্যাবলেট বা সিরাপ দেওয়া হয়, যা ডায়রিয়ার সময়কাল ও পুনরাবৃত্তি কমাতে সাহায্য করে।

চিকিৎসা

  • চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে জিঙ্কের ঘাটতি নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা করতে পারেন।
  • ঘাটতি থাকলে জিঙ্ক সাপ্লিমেন্ট (ট্যাবলেট/সিরাপ) নির্দিষ্ট মাত্রায় দেওয়া হয়।
  • নিজে থেকে দীর্ঘদিন উচ্চমাত্রার জিঙ্ক খাওয়া উচিত নয়, কারণ অতিরিক্ত জিঙ্ক শরীরে তামা (Copper) ঘাটতি ও অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

কখন ডাক্তার দেখাবেন?

নিচের সমস্যাগুলো থাকলে একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন:

  • দীর্ঘদিন ডায়রিয়া
  • বারবার সংক্রমণ
  • অস্বাভাবিক চুল পড়া
  • ক্ষুধামন্দা ও ওজন কমে যাওয়া
  • শিশুদের বৃদ্ধি কম হওয়া
  • দীর্ঘস্থায়ী অন্ত্র, লিভার বা কিডনির রোগ

জিঙ্কের ঘাটতি সন্দেহ হলে সঠিক কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসা করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ এম এ মুন্নাফ সরকার

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন)-বিএসএমএমইউ,
সিসিডি (বারডেম), এমএসিপি (আমেরিকা) 

মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ
সহকারী অধ্যাপক মেডিসিন বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

 যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়:

উচ্চ রক্তচাপ।

নিম্ন রক্তচাপ।

বুকে ব্যাথা।

বুক ধড়ফড় করা।

পেটে সমস্যা।

রক্তে অতিরিক্ত চর্বি (Hyperlipidemia)।

অকারণ দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, বমিভাব ও বমি হওয়া।

ঘন ঘন জ্বর আসা/কাঁপুনী দিয়ে জ্বর আসা।

প্রস্রাবে ইনফেকশন।

প্রেসার ওঠানামা।

মেডিসিন জনিত সব ধরনের রোগ বিশেষজ্ঞ।

চেম্বার :
নিউরো কেয়ার সিটি স্ক্যান এবং এমআরআই ডায়াগনস্টিক সেন্টার !
সময়: ০২ঃ৩০ টা থেকে ১০ টা ।

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহী
সময়: শনি-বৃহ: বিকাল ০৫ থেকে ১০ টা

সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
            হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬

আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতমযদি আপনার

রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল 

এবং আমাদের সেবা  পেতে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩২৬-৬৩৩১৬০

আমরা অনলাইনে আছি এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।

Sozol Mahmud (Nishan)

(BSc) in Laboratory Medicine, Rajshahi Medical University.