জিঙ্ক (Zinc) কী?
জিঙ্ক একটি অত্যাবশ্যক খনিজ (mineral) যা শরীরের বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, ক্ষত নিরাময়, স্বাদ-গন্ধ অনুভব, ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শরীর নিজে জিঙ্ক তৈরি করতে পারে না, তাই খাবার থেকে এটি গ্রহণ করতে হয়।
জিঙ্ক কেন কমে যায়?
জিঙ্কের ঘাটতির সাধারণ কারণগুলো হলো:
- অপুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস – জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবার কম খাওয়া।
- দীর্ঘদিন ডায়রিয়া – মলের সাথে জিঙ্ক বের হয়ে যায়।
- অন্ত্রের শোষণজনিত সমস্যা – যেমন Crohn’s Disease বা Celiac Disease।
- লিভার বা কিডনির দীর্ঘমেয়াদি রোগ।
- গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকাল – শরীরের চাহিদা বেড়ে যায়।
- বয়স্কদের ক্ষেত্রে খাবার থেকে জিঙ্ক শোষণ কমে যেতে পারে।
- অতিরিক্ত মদ্যপান।
- কিছু ওষুধের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার।
জিঙ্ক কমে গেলে কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে?
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া
- ঘন ঘন সংক্রমণ হওয়া
- ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া
- ক্ষুধামন্দা
- স্বাদ বা গন্ধ কম অনুভব করা
- চুল পড়া
- ত্বকের সমস্যা
- শিশুদের বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া
- দুর্বলতা ও ক্লান্তি
- পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রজনন সমস্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি
জিঙ্ক কমে গেলে করণীয়
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন
জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবার বেশি খান:
- গরু ও খাসির মাংস
- মাছ ও সামুদ্রিক মাছ
- ডিম
- দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
- মুরগির মাংস
- বাদাম (কাজু, কাঠবাদাম)
- কুমড়ার বীজ
- ডাল ও শিমজাতীয় খাবার
ডায়রিয়া হলে
বিশেষ করে শিশুদের ডায়রিয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জিঙ্ক ট্যাবলেট বা সিরাপ দেওয়া হয়, যা ডায়রিয়ার সময়কাল ও পুনরাবৃত্তি কমাতে সাহায্য করে।
চিকিৎসা
- চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে জিঙ্কের ঘাটতি নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা করতে পারেন।
- ঘাটতি থাকলে জিঙ্ক সাপ্লিমেন্ট (ট্যাবলেট/সিরাপ) নির্দিষ্ট মাত্রায় দেওয়া হয়।
- নিজে থেকে দীর্ঘদিন উচ্চমাত্রার জিঙ্ক খাওয়া উচিত নয়, কারণ অতিরিক্ত জিঙ্ক শরীরে তামা (Copper) ঘাটতি ও অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
কখন ডাক্তার দেখাবেন?
নিচের সমস্যাগুলো থাকলে একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন:
- দীর্ঘদিন ডায়রিয়া
- বারবার সংক্রমণ
- অস্বাভাবিক চুল পড়া
- ক্ষুধামন্দা ও ওজন কমে যাওয়া
- শিশুদের বৃদ্ধি কম হওয়া
- দীর্ঘস্থায়ী অন্ত্র, লিভার বা কিডনির রোগ
জিঙ্কের ঘাটতি সন্দেহ হলে সঠিক কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসা করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সহকারী অধ্যাপক ডাঃ এম এ মুন্নাফ সরকার
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন)-বিএসএমএমইউ,
সিসিডি (বারডেম), এমএসিপি (আমেরিকা)
মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ
সহকারী অধ্যাপক মেডিসিন বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়:
উচ্চ রক্তচাপ।
নিম্ন রক্তচাপ।
বুকে ব্যাথা।
বুক ধড়ফড় করা।
পেটে সমস্যা।
রক্তে অতিরিক্ত চর্বি (Hyperlipidemia)।
অকারণ দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, বমিভাব ও বমি হওয়া।
ঘন ঘন জ্বর আসা/কাঁপুনী দিয়ে জ্বর আসা।
প্রস্রাবে ইনফেকশন।
প্রেসার ওঠানামা।
মেডিসিন জনিত সব ধরনের রোগ বিশেষজ্ঞ।
চেম্বার :
নিউরো কেয়ার সিটি স্ক্যান এবং এমআরআই ডায়াগনস্টিক সেন্টার !
সময়: ০২ঃ৩০ টা থেকে ১০ টা ।
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহী
সময়: শনি-বৃহ: বিকাল ০৫ থেকে ১০ টা
সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬
আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম, যদি আপনার
রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল
এবং আমাদের সেবা পেতে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
আমরা অনলাইনে আছি এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।