আপডেট
Home Nursing Service Rajshahi | ইনজেকশন, স্যালাইন ও স্যাম্পল কালেকশনHealth Service BD | রাজশাহী বিভাগ, কুষ্টিয়া ও উত্তর-পশ্চিম বাংলাদেশের বিশ্বস্ত স্বাস্থ্যসেবা। আপনার জীবনযাত্রার মান-উন্নয়নে একটি আধুনিক অনলাইন ভিত্তিক  সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, যা সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত অভিজ্ঞ চিকিৎসক এর এপয়েন্টমেন্ট ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার সকল সেবা-সমূহ  প্রদান করে থাকে। আমরা MRI, CT স্ক্যান, এক্সরে, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, প্যাথলজিক্যাল টেস্ট এবং বিভিন্ন ধরনের অপারেশনের জন্য বিশেষ প্যাকেজ-সমূহ সাশ্রয়ী মূল্যে দিয়ে থাকি। উন্নত প্রযুক্তি, অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও দক্ষ টিমের মাধ্যমে আমরা দ্রুত ও নির্ভুল রিপোর্ট স্বাস্থ্যসেবায় নিশ্চিত করি। আমাদের লক্ষ্য হলো স্বাস্থ্য সেবাকে রাজশাহী, বগুড়া, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, জয়পুরহাট, কুষ্টিয়াসহ বাংলাদেশের সবার কাছে সহজলভ্য করা এবং রোগীদের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি অর্জন করা। স্বাস্থ্যসেবার যে কোনো প্রয়োজনে আমাদের নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে বেছে নিন। ধন্যবাদ।ডাঃ শামিনা সুলতানা ( শাপলা ) । গাইনী ও স্ত্রীরোগ ও বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন । রাজশাহীডাঃ আরজুমান আরা (এলমিস) । গাইনী ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ রাজশাহীগাইনী ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডাক্তার কি কি সমস্যার চিকিৎসা দেন
24a21d99 0fa1 4cc4 b497 c7be3bf2c8e5 1

গরমে ডায়রিয়া হয় কেন?

গরমের সময় ডায়রিয়া বেশি হওয়ার অন্যতম কারণ হলো জীবাণু (ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও পরজীবী) দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া। গরমে খাবার ও পানি সহজেই দূষিত হয়ে যায়, ফলে ডায়রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

গরমে ডায়রিয়ার প্রধান কারণ

১. দূষিত পানি পান করা
অপরিষ্কার বা জীবাণুযুক্ত পানি ডায়রিয়ার অন্যতম কারণ।

২. বাসি বা নষ্ট খাবার খাওয়া
গরমে খাবার দ্রুত নষ্ট হয় এবং তাতে জীবাণু জন্মায়।

৩. রাস্তার খোলা খাবার খাওয়া
মাছি ও ধুলাবালার মাধ্যমে খাবার দূষিত হতে পারে।

৪. হাত পরিষ্কার না রাখা
খাওয়ার আগে বা টয়লেট ব্যবহারের পর হাত না ধুলে জীবাণু শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

৫. ভাইরাসজনিত সংক্রমণ
কিছু ভাইরাস অন্ত্রের সংক্রমণ ঘটিয়ে ডায়রিয়া সৃষ্টি করে।

ডায়রিয়ার লক্ষণ

  • ঘন ঘন পাতলা পায়খানা
  • পেট ব্যথা বা মোচড় দেওয়া
  • বমি বমি ভাব বা বমি
  • জ্বর হতে পারে
  • অতিরিক্ত তৃষ্ণা
  • দুর্বলতা ও মাথা ঘোরা

ডায়রিয়া হলে করণীয়

১. ওআরএস (ORS) খাওয়া

ডায়রিয়ায় শরীর থেকে পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়। তাই প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর ওআরএস খেতে হবে।

২. পর্যাপ্ত পানি পান করা

  • বিশুদ্ধ পানি
  • ডাবের পানি
  • লেবুর শরবত
  • স্যুপ

৩. সহজপাচ্য খাবার খাওয়া

  • ভাত
  • খিচুড়ি
  • কলা
  • আলু
  • টোস্ট বা বিস্কুট

৪. বিশ্রাম নেওয়া

শরীরের পানিশূন্যতা ও দুর্বলতা কমাতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম প্রয়োজন।

৫. হাত পরিষ্কার রাখা

সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধুতে হবে।

কী খাবেন না?

  • অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার
  • ঝাল খাবার
  • খোলা বা রাস্তার খাবার
  • কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত মিষ্টি পানীয়

চিকিৎসা

  • অধিকাংশ সাধারণ ডায়রিয়া ২–৫ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়।
  • ওআরএস এবং পর্যাপ্ত তরল গ্রহণই প্রধান চিকিৎসা।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া উচিত নয়।
  • শিশুদের ক্ষেত্রে জিঙ্ক সিরাপ/ট্যাবলেট চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দেওয়া যেতে পারে।

কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন?

নিচের যেকোনো লক্ষণ থাকলে দ্রুত একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বা শিশু হলে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নিন:

  • মলে রক্ত বা কালো পায়খানা
  • তীব্র পানিশূন্যতা (মুখ শুকিয়ে যাওয়া, প্রস্রাব কম হওয়া)
  • বারবার বমি
  • ১০১°F-এর বেশি জ্বর
  • ৩ দিনের বেশি ডায়রিয়া চলতে থাকা
  • শিশু, বয়স্ক বা গর্ভবতী নারীর ডায়রিয়া

ডায়রিয়ার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো পানিশূন্যতা, তাই দ্রুত ও পর্যাপ্ত ওআরএস খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ এম এ মুন্নাফ সরকার

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন)-বিএসএমএমইউ,
সিসিডি (বারডেম), এমএসিপি (আমেরিকা) 

মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ
সহকারী অধ্যাপক মেডিসিন বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

 যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়:

উচ্চ রক্তচাপ।

নিম্ন রক্তচাপ।

বুকে ব্যাথা।

বুক ধড়ফড় করা।

পেটে সমস্যা।

রক্তে অতিরিক্ত চর্বি (Hyperlipidemia)।

অকারণ দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, বমিভাব ও বমি হওয়া।

ঘন ঘন জ্বর আসা/কাঁপুনী দিয়ে জ্বর আসা।

প্রস্রাবে ইনফেকশন।

প্রেসার ওঠানামা।

মেডিসিন জনিত সব ধরনের রোগ বিশেষজ্ঞ।

চেম্বার :
নিউরো কেয়ার সিটি স্ক্যান এবং এমআরআই ডায়াগনস্টিক সেন্টার !
সময়: ০২ঃ৩০ টা থেকে ১০ টা ।

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহী
সময়: শনি-বৃহ: বিকাল ০৫ থেকে ১০ টা

সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
            হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬

শিশু বিশেষজ্ঞ

অধ্যাপক ডা: এম.এ হাই

এমবিবিএস, এমডি
শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

অধ্যাপক এবং ইউনিট প্রধান শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

শিশু বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন ধরণের ভূমিকা রয়েছে। তারা জন্ম থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত শিশুর জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসা এবং প্রতিরোধ করেন। নীচে তাদের প্রধান কর্তব্যগুলির একটি তালিকা দেওয়া হল:

সাধারণ এবং পুনরাবৃত্ত রোগ:

•জ্বর

•কাশি এবং ঠান্ডা

•ডায়রিয়া বা আলগা মল

• বমি করা

• ঠান্ডাজনিত নিউমোনিয়া

•ইনফ্লুয়েঞ্জা

সংক্রামক রোগ:

• হাম

• গুটি বসন্ত

•ডিপথেরিয়া

•হেপাটাইটিস

• পোলিও

•রুবেলা

নবজাতকের চিকিৎসা:

• কম জন্ম ওজন

• জন্ডিস

• শ্বাসকষ্ট

• বুকের দুধ না খাওয়ানোর সমস্যা

পুষ্টি এবং বিকাশগত সমস্যা:

•অপুষ্টি

• অতিরিক্ত বা কম ওজনের

•খাবার ও পানীয়ের প্রতি অনীহা

•উচ্চতা হ্রাস অথবা বৃদ্ধি না হওয়া

• এলার্জি

দীর্ঘমেয়াদী এবং জটিল রোগ:

• শৈশবকালীন হাঁপানি

• টাইপ ১ ডায়াবেটিস

•জন্মগত হৃদরোগ

• স্নায়বিক সমস্যা (যেমন মৃগীরোগ বা খিঁচুনি)

•থ্যালাসেমিয়া বা রক্তের সমস্যা

আচরণগত এবং মানসিক সমস্যা:

• অটিজম

•এডিএইচডি (মনোযোগ ঘাটতি হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার)

• দেরিতে কথা বলা

• ঘুমের সমস্যা

•পড়াশোনায় মনোযোগ না দেওয়া

টিকা এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা:

•বিসিজি, পেন্টাভ্যালেন্ট, এমআর টিকা

•সমস্ত জাতীয় এবং অতিরিক্ত টিকা সময়মতো

•ভবিষ্যতের রোগ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা

চেম্বার:

নিউরো কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এন্ড
পপুলার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার 

সময়: ০২ঃ৩০টা থেকে ১০ টা

সিরিয়ালের জন্য কল করুন:০১৩২৬-৬৩৩১৬০
           হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬

আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতমযদি আপনার

রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল 

এবং আমাদের সেবা  পেতে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩২৬-৬৩৩১৬০

আমরা অনলাইনে আছি এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।

Sozol Mahmud (Nishan)

(BSc) in Laboratory Medicine, Rajshahi Medical University.