ডায়রিয়া হলো ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হওয়া। সাধারণত দিনে ৩ বার বা তার বেশি পাতলা পায়খানা হলে তাকে ডায়রিয়া বলা হয়। এটি শিশু ও বড়—সব বয়সেই হতে পারে।
ডায়রিয়া কেন হয়?
ডায়রিয়ার প্রধান কারণগুলো হলোঃ
- ভাইরাস সংক্রমণ (যেমন রোটা ভাইরাস)
- ব্যাকটেরিয়া বা দূষিত খাবার/পানি
- খাবারে বিষক্রিয়া
- অপরিষ্কার হাত বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ
- অতিরিক্ত তৈলাক্ত বা বাসি খাবার
- কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক)
- পেটের সংক্রমণ বা হজমের সমস্যা
ডায়রিয়ার লক্ষণ
- বারবার পাতলা পায়খানা
- পেট মোচড়ানো বা ব্যথা
- বমি বা বমি ভাব
- জ্বর হতে পারে
- শরীর দুর্বল লাগা
- অতিরিক্ত পিপাসা
ডায়রিয়া হলে করণীয়
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো শরীরে পানিশূন্যতা ঠেকানো।
১. বেশি বেশি তরল পান করুন
- খাবার স্যালাইন (ওআরএস)
- বিশুদ্ধ পানি
- ডাবের পানি
- ভাতের মাড়
- লেবু পানি
২. সঠিকভাবে স্যালাইন তৈরি
এক প্যাকেট ওআরএস ৫০০ মি.লি. বা ১ লিটার পানিতে (প্যাকেটের নির্দেশনা অনুযায়ী) মিশাতে হবে।
ভুল অনুপাতে বানানো যাবে না।
৩. খাবার বন্ধ করবেন না
হালকা ও সহজপাচ্য খাবার খেতে হবে:
- ভাত
- কলা
- খিচুড়ি
- আলু
- স্যুপ
শিশু হলে বুকের দুধ চালিয়ে যেতে হবে।
যা এড়িয়ে চলবেন
- রাস্তার খোলা খাবার
- অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার
- কোমল পানীয়
- না জেনে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া
কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন? ও কোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাবেন ।
নিচের লক্ষণ থাকলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবেঃ
- পায়খানার সাথে রক্ত
- খুব বেশি দুর্বলতা বা অজ্ঞান ভাব
- প্রস্রাব কমে যাওয়া
- মুখ শুকিয়ে যাওয়া
- উচ্চ জ্বর
- বারবার বমি
- শিশু বা বয়স্কদের ডায়রিয়া ১–২ দিনের বেশি থাকলেডাক্তার দেখাবেন
বিভাগীয় প্রধান ডাঃ মনজুরুল চৌধুরী
এমবিবিএস(ঢাকা), বিসিএস
এফসিপিএস(মেডিসিন)
এমডি(গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী)
সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান গ্যাস্ট্রো-এন্টারোলজী বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ,রাজশাহী।
যে সকল বিষয়ে সু-চিকিৎসা সেবা দেন ডা: মনজুরুল চৌধুরী:
1. পেট ফাঁপা/গ্যাসের সমস্যা/অতিরিক্ত এসিডিটি।
2. লিভার জন্ডিস
3. হেপাটাইটিস বি ও সি-ভাইরাস।
4. লিভার সিরোসিস।
5. প্যানক্রিয়াটাইটিস।
6. এন্ট্ররাল গ্যাস্টাইটিস।
7. খাদ্যনালী, পাকস্থলীতে ক্ষত বা ঘা।
8. ক্ষুধামন্দা/বমিবমি ভাব হওয়া, খাবারের অরুচি।
9. লিভারে চর্বি।
10. পেটের সকল ধরনের পীড়ারোগ।
11. উচ্চ রক্তচাপ।
12. নিম্ন রক্তচাপ।
13. বুকে ব্যাথা।
14. বুক ধড়ফড় করা।
15. পেটে সমস্যা।
16. রক্তে অতিরিক্ত চর্বি (Hyperlipidemia)।
17. অকারণ দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, বমিভাব ও বমি হওয়া।
18. ঘন ঘন জ্বর আসা/কাঁপুনী দিয়ে জ্বর আসা।
19. প্রস্রাবে ইনফেকশন।
20. প্রেসার ওঠানামা।
চেম্বার:
গ্রীন সিটি হাসপাতাল & নিউরো কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার,
রাজশাহী, শেরশাহ্ রোড,ঝাউতলা মোড়,ডিবি অফিসের পাশে,লক্ষ্মীপুর রাজশাহী।
সময়: শনি-বৃহ: দুপুর ১১ টা- বিকাল ০৪ টা,
ল্যাবএইড ডায়াগনষ্টিক রাজশাহী
সময়: বিকাল সাড়ে ০৪ টা- রাত ০৯টা
ভিজিট ফি:
নতুন রোগী: ৮০০ টাকা
পুরাতন রোগী: ৬০০ টাকা
(দুই মাসের মধ্যে)
সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬
সহকারী অধ্যাপক ডা: মো: আব্দুল মুমিত সরকার
এমবিবিএস, বিসিএস,
এমডি(গ্যাষ্ট্রোএন্টারোলজী), সিসিডি(বারডেম), বিএসএমএমইউ
লিভার, পরিপাকতন্ত্র, প্যানক্রিয়াস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
সহকারী অধ্যাপক
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
চেম্বার:
স্মার্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রাজশাহী
সময়: দুপুর ২ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত (বৃহস্পতি ও শুক্রবার বন্ধ)
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহী ভবন – ১
সময়: শনি-বুধ বিকাল ০৫ টা থেকে ০৯ টা
ভিজিট ফি:
নতুন রোগীঃ ৭০০ টাকা
পুরাতন রোগীঃ ৫০০ টাকা
(দুই মাসের মধ্যে)
সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬
ডায়রিয়া প্রতিরোধের উপায়
- সাবান দিয়ে হাত ধোয়া
- বিশুদ্ধ পানি পান করা
- খাবার ঢেকে রাখা
- বাসি খাবার না খাওয়া
- টয়লেট ব্যবহারের পর হাত পরিষ্কার করা
ডায়রিয়ার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সঠিকভাবে পানি ও স্যালাইন খেলে রোগ ভালো হয়ে যায়। তবে পানিশূন্যতা মারাত্মক হতে পারে, তাই অবহেলা করা উচিত নয়।
আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম, যদি আপনার
রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল
এবং আমাদের সেবা পেতে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
আমরা অনলাইনে আছি এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।