আপডেট
হাম কী, কেন ছড়ায় ও কীভাবে ছড়ায় এবং শিশুর হাম হলে করণীয় কী ?রাজশাহীতে, রাজশাহী মেডিকেল ছাড়াও আরো সুপরিচিত ব্লাড ব্যাংক কোথায় ? আসুন জানি !সেলুলাইটিস (সেলুলাইটিস) কী? কেন হয়, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ।মানসিক অস্থিরতা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু প্রয়োজনীয় টিপস !আসসালামু-আলাইকুম Health Service BD তে আপনাকে স্বাগতম। Health Service BD হলো একটি আধুনিক অনলাইন ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, যা সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা প্রদান করে। আমরা MRI, CT স্ক্যান, এক্সরে, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, প্যাথলজিক্যাল টেস্ট এবং বিভিন্ন ধরনের অপারেশনের জন্য বিশেষ প্যাকেজ সুবিধা দিয়ে থাকি। উন্নত প্রযুক্তি, অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও দক্ষ টিমের মাধ্যমে আমরা দ্রুত ও নির্ভুল স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করি। আমাদের লক্ষ্য হলো স্বাস্থ্যসেবাকে সবার কাছে সহজলভ্য করা এবং রোগীদের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি অর্জন করা। স্বাস্থ্যসেবার যে কোনো প্রয়োজনে আমাদের নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে বেছে নিন । ধন্যবাদ ।

হাম কী ?

হাম মূলত ‘মিজেলস’ নামের এক অতিসংক্রামক ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত রোগ। উচ্চমাত্রার জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, রক্তবর্ণের চোখ এবং জ্বরের চার দিনের মাথায় মুখ থেকে শুরু করে সারা শরীরে লালচে র‍্যাশ নিয়ে হাম আবির্ভূত হয়।

মিজেলস ভাইরাসটি শ্বাসনালি দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা সাময়িকভাবে নষ্ট করে দেয়। এর ফলে হামে আক্রান্ত হলে শিশু এর বাইরেও নানা রকম ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য জীবাণু দ্বারা সহজে সংক্রমিত হয়।

হামের জটিলতায় আরও যা হতে পারে

হামের জটিলতা হিসেবে পরবর্তী সময়ে প্রায়ই নিউমোনিয়া, মারাত্মক ডায়রিয়া হতে পারে।

এ ছাড়া আক্রান্ত শিশুর শরীরে ভিটামিন এ–এর মজুত মারাত্মকভাবে কমে যায়। এর ফলে শিশুর চোখের পানি কমে যায় বা চোখ শুষ্ক হয়ে যায়, এ থেকে রাতকানা থেকে শুরু করে অন্ধত্ব পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।

হামে আক্রান্ত অনেক শিশুর কানপাকা, মুখে ঘা, মারাত্মক অপুষ্টি, মস্তিষ্কের প্রদাহসহ আরও অনেক রকম জটিলতা দেখা দিতে পারে।

হাম রোগের কারণ !

মেডিকেল রোগ হয় হামের ভাইরাস দ্বারা।

 সংক্রমণের প্রধান উপায়:

  • হাঁচি-কাশির মাধ্যমে
  • মিডিয়া সংস্পর্শ
  • দূষিত বাতাসের মাধ্যমে

এই খুব দ্রুত ছড়ায়, বিশেষ করে ব্যাপক মধ্যে।

হাম রোগের এমপি (মিজলেস সিটমস)

হাম সাধারণত ৭–১৪ এর মধ্যে দেখা দেয়—

  • জ্বর (উচ্চ জ্বর)
  • সর্দি ও কাশি
  • দেখা লাল করা (লাল চোখ)
  • শরীরে লাল ফুসকুড়ি (ফুসকুড়ি)
  • মুখের কথা সাদা দাগ (কপলিক দাগ)
  • এই

হাম রোগ কিভাবে শরয়?

 এটি একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ

  • বাতাসে শায়
  • মুসলিম গাশি/হাঁচি
  • একই রুমে থাকলে সহজে সংক্রমণ

হাম রোগের জটিলতা

চিকিৎসা না করা সমস্যা হতে পারে—

  • তথাপি
  • এর
  • কান ইনফ সক্রিয়
  • প্রেমের প্রদাহ (এনসেফালাইটিস)

অনেক ক্ষেত্রে এটি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

হাম রোগের চিকিৎসা

হাম রোগের নির্দিষ্ট ভাইরাল চিকিৎসা নেই, তবে ওষুধ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়—

  • জ্বর কমানোর জোর
  • পর্যাপ্ত পানি পান
  • এবং
  • ভিটামিন এ সাপ্লিমেন্ট
  • মান কর খাবার

হাম রোগের টিকা (হামের টিকা)

হাম বন্ধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় টিকা

  • এমএমআর টিকা (হাম, মাম্পস, রুবেলা)
  • নির্দিষ্ট নির্দিষ্ট পুরানো দেওয়া হয়

টিলি নিলে রোগের বিপদ অনেক টাকা যায়।

হাম ছাড়ার উপায়

  • যা নেওয়া
  • পুলিশ থেকে ব্যক্তি পরিবহন
  • পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখা
  • মাস্ক ব্যবহার করা

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

দ্রুততার কাছে যান

  • উচ্চ
  • নিয়মিত না পারা
  • খিচুনি

দেখতে পাবেন?

আপনি যদি রাজশাহী বা আশেপাশে থাকেন, তাহলে দ্রুত একজন

  • এর কাছে নিন।

অধ্যাপক ডা: এম.এ হাই

এমবিবিএস, এমডি
শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

অধ্যাপক এবং ইউনিট প্রধান শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

শিশু বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন ধরণের ভূমিকা রয়েছে। তারা জন্ম থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত শিশুর জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসা এবং প্রতিরোধ করেন। নীচে তাদের প্রধান কর্তব্যগুলির একটি তালিকা দেওয়া হল:

সাধারণ এবং পুনরাবৃত্ত রোগ:

•জ্বর

•কাশি এবং ঠান্ডা

•ডায়রিয়া বা আলগা মল

• বমি করা

• ঠান্ডাজনিত নিউমোনিয়া

•ইনফ্লুয়েঞ্জা

সংক্রামক রোগ:

• হাম

• গুটি বসন্ত

•ডিপথেরিয়া

•হেপাটাইটিস

• পোলিও

•রুবেলা

নবজাতকের চিকিৎসা:

• কম জন্ম ওজন

• জন্ডিস

• শ্বাসকষ্ট

• বুকের দুধ না খাওয়ানোর সমস্যা

পুষ্টি এবং বিকাশগত সমস্যা:

•অপুষ্টি

• অতিরিক্ত বা কম ওজনের

•খাবার ও পানীয়ের প্রতি অনীহা

•উচ্চতা হ্রাস অথবা বৃদ্ধি না হওয়া

• এলার্জি

দীর্ঘমেয়াদী এবং জটিল রোগ:

• শৈশবকালীন হাঁপানি

• টাইপ ১ ডায়াবেটিস

•জন্মগত হৃদরোগ

• স্নায়বিক সমস্যা (যেমন মৃগীরোগ বা খিঁচুনি)

•থ্যালাসেমিয়া বা রক্তের সমস্যা

আচরণগত এবং মানসিক সমস্যা:

• অটিজম

•এডিএইচডি (মনোযোগ ঘাটতি হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার)

• দেরিতে কথা বলা

• ঘুমের সমস্যা

•পড়াশোনায় মনোযোগ না দেওয়া

টিকা এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা:

•বিসিজি, পেন্টাভ্যালেন্ট, এমআর টিকা

•সমস্ত জাতীয় এবং অতিরিক্ত টিকা সময়মতো

•ভবিষ্যতের রোগ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা

চেম্বার:

নিউরো কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এন্ড
পপুলার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার 

সময়: ০২ঃ৩০টা থেকে ১০ টা

সিরিয়ালের জন্য কল করুন:০১৩২৬-৬৩৩১৬০
           হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ এম এ মুন্নাফ সরকার

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন)-বিএসএমএমইউ,
সিসিডি (বারডেম), এমএসিপি (আমেরিকা) 

মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ
সহকারী অধ্যাপক মেডিসিন বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

 যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়:

উচ্চ রক্তচাপ।

নিম্ন রক্তচাপ।

বুকে ব্যাথা।

বুক ধড়ফড় করা।

পেটে সমস্যা।

রক্তে অতিরিক্ত চর্বি (Hyperlipidemia)।

অকারণ দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, বমিভাব ও বমি হওয়া।

ঘন ঘন জ্বর আসা/কাঁপুনী দিয়ে জ্বর আসা।

প্রস্রাবে ইনফেকশন।

প্রেসার ওঠানামা।

মেডিসিন জনিত সব ধরনের রোগ বিশেষজ্ঞ।

চেম্বার :
নিউরো কেয়ার সিটি স্ক্যান এবং এমআরআই ডায়াগনস্টিক সেন্টার !
সময়: ০২ঃ৩০ টা থেকে ১০ টা ।

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহী
সময়: শনি-বৃহ: বিকাল ০৫ থেকে ১০ টা

সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
            হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬

রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল 

এবং আমাদের সেবা  পেতে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩২৬-৬৩৩১৬০

Sozol Mahmud (Nishan)

(BSc) in Laboratory Medicine, Rajshahi Medical University.