আপডেট
ডাঃ শেখ মোঃ নাফিস কবির / হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ-রাজশাহীডাঃ পি সি দাস  প্লাস্টিক সার্জারী বিশেষজ্ঞ-রাজশাহীরাজশাহী ব্লাড ব্যাংকডাঃ রোখসানা আমিন/ চর্ম, যৌন, এ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ / রাজশাহী পপুলারপপুলার হাসপাতালের ডাক্তারদের তালিকা, রাজশাহী পপুলার ।
697a101085c2f

প্রেগনেন্সি মিসকারেজ কেন হয়: আর্লি প্রেগনেন্সি মিসক্যারেজ বা বারবার জন্মস্থান কারণ কী? হরমোন, জরায়ুর সমস্যা, থাইরয়েড, ইনফরম সক্রিয় ও জীবনযাত্রার বিপদ বিস্তারিত জানুন।

বর্তমানে আর্লি প্রেগনেন্সিতে মিসক্যারেজ বা প্রথম সপ্তাহের ১২ সপ্তাহের মধ্যে গ্রপাত একটি অত্যন্ত সাধারণ কিন্তু কষ্টকর সমস্যা হচ্ছে। বিশ্ব সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ১০টি গৌরবধারণের মধ্যে প্রায় ১–২টি গর্ভপাতের মাধ্যমে শেষ হয়, যার ব্যাপকতা বৃদ্ধির প্রথম স্বাস্থ্য তিন মাস।

বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশগুলির সমস্যাগুলি আরও বেশি মাত্রায়—যার স্তর রয়েছে তাদের মধ্যে বিয়ে ও হরধারজন, জোর, জীবনযাত্রার পরিবর্তন, মোহনিত সমস্যা, অপরিকল্পিত গৌরবধারণ এবং স্বাস্থ্য সুবিধা। অনেক নারী গর্ভপাতের শিকারের সন্ধান জানতে পারবেন একাধিক সময়মতো কারণ শনাক্ত করা অনেকের ক্ষেত্রেই প্লাটফর্ম গ্রোভধারণ সম্ভব।

মিসকেরেজ কী?

মিসক্যারেজ বলতে গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহের অপরিবর্তনীয়ভাবে বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রাবস্থার প্রথম ১২ সপ্তাহে, যাকে আর্লি প্রেগনেন্সি লস বলা হয়। অনেক সময় নারী আলোচনাই করতে পারেন না যে তিনি গ্রোবতী ছিলেন, শুধুমাত্র তাদের রক্তে রক্তক্ষরণ দিয়ে গপ্পা শুরু করা যায়।

বারবার গর্ভপাত (পুনরাবৃত্ত গর্ভপাত) কী?

যদি কোন নারী টানা২ বার বা তার বেশিগর্ভপাতের শিকার হন, তাহলে তাকে বারবার গর্ভপাত বা বারবার গর্ভধারণের ক্ষতি বলা হয়। এটি একটি পরীক্ষাযোগ্য সমস্যা দেখতে সঠিক পরীক্ষা ও পরীক্ষা অত্যন্ত কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।

আর্লি প্রেগনেন্সি মিসক্যারেজ প্রধান কারণসমূহ

১. ক্রোমোজোম বা সমস্যাটিক

আর্লি প্রেগনেন্সি মিসক্যারেজের সবচেয়ে সাধারণ কারণ ভ্রূ পরিকল্পনা ক্রোমোজোমজনিত ত্রুটি। ভ্রূ মনে ডিএনএ সঠিকভাবে না গঠিত হলে শরীর স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণ করতে না যেতে পারে। এই ধরনের গর্ভপাত সাধারণ অনিচ্ছাকৃত এবং পাসের যোগ্য নয়।

২. হরমোনজনিত সমস্যা

হরমোনের ভারসাম্যহীনতা গর্ভধারণ সংস্থা থাকার জন্য বড় বাধা। বিশেষ করেপ্রোজেস্টেরন হরমোনঘাটি, থারয়েডের (হাইপোথাইরয়েড), PCOS ইত্যাদি থাকলে গুরুতর সমস্যা অনেকগুণ বিস্তৃত হয়। প্রোজেস্টেরন জরায়ু গ্রোধার পরিকল্পনার জন্য প্রস্তুত, এর অভাবে ভ্রূণ ঠিকভাবে বসতে পারে না।

৩. থাইরয়েড ও ডায়াবেটিস

অনিয়ন্ত্রিত থাইরয়েড ও ডায়াবেটিস আর্লি মিসক্যারেজের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। বিশেষ করে TSH বেশি থাকলে বা সুগার অনিয়ন্ত্রিত থাকলে ভ্রূণ অনুশীলন বৃদ্ধি করতে হবে। অনেক নারী জানতে পারেন না যে তাদের এই সমস্যা রয়েছে।

৪. জরায়ুর গঠনগত সমস্যা

জরায়ুর জন্মগত ত্রুটি, জরায়ু ছোট বা বিভক্ত, ফাইব্রয়েড, পলিপ বা জরায়ুর মুখ (অক্ষম জরায়ু) হলে ঠিকভাবে সক্রিয় হতে পারে না। আল্ট্রাউন্ড বা এইচএসজি প্রয়োজন।

৫. ইনফেকশন

টর্চ ইনফোসিস (টক্সোপ্লাজম, রুবেলা, সিএমভি, হারপিস), ইউরিন ইনফক্র্যাক বা যৌনবাহিত রোগ আর্লি প্রেগনেন্সিতে আঘাত করতে পারে। অনেক ইনফ ক্রাগ উপসর্গ ছাড়া যায়, যা গর্ভপাতের কারণ হয়।

৬. অতিরিক্ত চাপ ও জীবনযাত্রা

অতিরিক্ত স্ট্রেস, ঘুমের অভাব, ভারী কাজ, ধূমপান, অ্যালকোহল, অতিরিক্ত ক্যাফেইন আর্লি মিসক্যারে ঝুঁকি বাড়ায়। মুসলিম জীবনযাত্রার এই বিষয়গুলো বর্তমানে গ্রুপে বৃদ্ধির কারণ।

৭. পুরানোজনিত ঝুঁকি

৩৫ বছর পর গর্ভধারণে গর্বের সম্ভাবনা স্বাভাবিকভাবে সম্ভব হয়। বড় বড় ডিম্বানুর গুণগত মান সঙ্গে মানতে পারে, যা ভ্রুক্ষেপ বোঝার কারণ হতে পারে।

আর্লি প্রেগনেন্স মিসক্যারেজেতে

সকাল তলপেটে ব্যথা, যোনি ব্যথা, কোমর বেদনা, গ্রাহ্যধারে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে—এসব আর্টিকেল সংকেত হতে পারে। এ ধরনের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দ্রুত শরণাপন্ন হওয়া।

কী কী পরীক্ষা করে জানা যায়?

গর্ভপাত হলে কিছু নির্দিষ্ট পরীক্ষা করা প্রয়োজন—
টিএসএইচ, প্রোজেস্টেরন, ব্লাড সুগার, টর্চ সিনিং, আক্রাউন্ড, নিলিক কংগ্রেস, এপিএস (এনটিফসফোলিপিড সিনড্রোম) রাজনৈতিক ইত্যাদি। পরিস্থিতি অনুযায়ী পরীক্ষা করা হয়।

বারবার গর্ভপাত প্রতিরোধে করণীয়

গর্ভধারণের আগে পূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুষম খাদ্য, জোর চাপ কমানো, ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার এবং ফলোআপ বারবার গর্ভপাত প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

একবার গড়পতন দেখতে পরবর্তী গৌরবধারণের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আর যদি দুই দুই ততোধিক গর্তপাত হয়, তাহলে অবশ্যই জবাবের শরণাপন্ন হতে হবে।

কোন ডাক্তার দেখাতে হবে?

গাইনোকোলজিস্ট (স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ) ফার্টিলিটি স্পেশালিস্ট

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ জেবুন্নেছা এ্যানি

এমবিবিএস, বিসিএস, এমসিপিএস,
এফসিপিএস(গাইনি এন্ড অবস)

বন্ধ্যাত্ব, স্ত্রী রোগ, প্রসূতি বিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
সহকারী অধ্যাপক
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,রাজশাহী

চেম্বার:

নিজ বাসায় ‍ দুপুর ০২ থেকে ০৩ টা  ।

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহী
সময়: বিকাল ০৫.০০টা-রাত ৯.০০টা!


সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
            হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

১. একবার মিসরেজ হলে কি আবার জন্মধারণ সম্ভব?

হ্যাঁ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পদ্ধতিগতভাবে গর্ভধারণ সম্ভব।

২. গর্ভপাত কি চিরস্থায়ী সমস্যা?

না, সঠিক চিকিৎসায় সমাধান হয়।

৩. বিশ্রাম নিলে কি মিসকারেজ বিরোধিতা হয়?

শুধু বিশ্রাম নয়, মূল কারণ চিকিৎসা করাই সবচেয়ে জরুরি।

৪. ব্যাপক কি চাপ গুরুত্ব ঘটাতে পারে?

হ্যাঁ, দীর্ঘমেয়াদি স্ট্রেস গ্রুপধারণে নেতিবাচক প্রভাব বলে।

৫. গর্ভধারণ আগে কী করা উচিত?

সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা, হরমোন নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োগের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতমযদি আপনার

রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল 

এবং আমাদের সেবা  পেতে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩২৬-৬৩৩১৬০

আমরা অনলাইনে আছি এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।

Sozol Mahmud (Nishan)

(BSc) in Laboratory Medicine, Rajshahi Medical University.