
ফুড পয়জনিং কেন হয় এবং কিভাবে এড়ানো যায়? পড়ুন খাবার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সমাধান ও সমাধানের উপায় জানার বিস্তারিত ব্যবস্থায় কার্যকর গাইড।
খাবার পাইজনিং এড়াতে করণীয় কি?
ফুড পয়জনিং এখন কেন বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি?
বর্তমান সময়েফুড পয়জনিংএকটি সাধারণ কিন্তু অত্যন্ত মারাত্মক স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দেওয়া। বাসারও খাবার, স্ট্রিট ফুডের বিকাশতা, নিরাপত্তাহীন খাবার, দূষিত পানি এবং অস্বাস্থ্যকর রান্নার পরিবেশের কারণে শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক—সাবাই ফিডিং পয়জনিং ঝুঁকিতে।
বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশীয় প্রতি বছর লক্ষ মানুষ পাইজনিংয়ে হন। অনেক ক্ষেত্রে এটি সাময়িক যন্ত্র, কখনো কখনো পানিশূন্যতা, কিডনি সমস্যা এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। তাই খাবার পয়জনিং এড়াতে অত্যন্ত জরুরি।
ফুড পয়জনিং কী?
ফিড পয়জনিং করা দূষিত, পচা বা জীবাণুযুক্ত খাবারের ফলে সৃষ্ট একটি অনুরোধতা। ব্যাকটেরিয়া, ভিটামিন, পরজীবী বা বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে শরীরে এই সমস্যা হয়।
সবচেয়ে সাধারণ জীবানুর মধ্যে রয়েছে—
সালমোনেলা, ই. কোলি, শিগেলা, ক্যাম্পাইলোব্যাক্টর এবং নরোভাইরাস।
ফিড পয়জনিং গ্রুপ প্রধান কারণ
ফিড পয়জনিং সাধারণ মানুষের অসতনতা ও খাদ্য নিরাপত্তার অভাবের কারণে হয়।
১. হাত ও রান্নার পরিবেশ
হাত ভালোভাবে না খাবার প্রস্তুত জীবাণু স্বাভাবিক খাবারে শান্তিতে পড়ে। রান্নাঘরের পূর্বিক পাত্র, কাটিংবোর্ড ও ছুরি থেকে সংক্রমণ হতে পারে।
২. দূষিত পানি ব্যবহার
দূষিত পানি দিয়ে রান্না, সবজি ধোয়া বা বরফের জন্য খাবার সংক্রমিত হয়।
৩. অপর্যাপ্ত রান্না
মাংস, ডিম, বা দুধ ঠিকমতো না রান্নায় জীবাণু থাকে এবং পয়জনিং করে।
৪. দীর্ঘক্ষণ খোলা রাখা
ঘরের দীর্ঘায়ু দীর্ঘ সময় উপযোগী প্রোগ্রাম ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
৫. বাসি বা শক্তিশালী
একই খাবার বার গরম করা বা লড়াই শেষ বার বার যথেষ্ট কার্যকরী।
ফিড পয়জনিং সাধারণ
ফীড পয়জনিং– ২ সাধারণত আলোচনার ১ ঘন্টার মধ্যে দেখা দেয়।
- বমি বমি ভাব
- বমি
- পাতলা পায়খানা
- পেট ব্যথা বা পেট মোচড়
- জবর
- মাথা ঘোরা
- পানি শূন্যতা
শিশু, গর্ভবতী নারী ও বয়দের ক্ষেত্রে অধিক ক্ষমতা হতে পারে।
খাবার পয়জনিং এড়াতে করণীয়
খাবার খাবার প্রস্তুত করার অভ্যাস
খাবার রান্নার আগে ও পরে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া অত্যন্ত জরুরি। রান্নাঘর পরিষ্কার রাখা, স্পষ্ট কাটিংবোর্ড করা (মাংস ও সবজির জন্য) প্রভাবের ঝুঁকি কমায়।
পরিষ্কার পানি ব্যবহার
স্বাভাবিক বিশুদ্ধ ও ফুটানো পানি ব্যবহার করুন। রাস্তার বরফ, অজানা উৎসের পানি পরিহার করুন।
ভালো খাবার রান্না করুন
মাংস, মাছ ও ডিম ভালোভাবে সিদ্ধ বা ভাজা না হলে তা বোঝা উচিত নয়। আধা-সিদ্ধ খাবার এ চালান।
খাবার সংরক্ষণের নিয়ম চালু করুন
রান্না করা খাবার ২ ঘণ্টার বেশি খোলা রাখা না। ফ্রিজে প্লেস ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বোঝাই।
আপনি পরামর্শের সময় সতর্কতা
রাস্তার খোলা খাবার, কাটা ফল, অপরিষ্কার হোটেলের খাবার এ চালান। খাবার পরিবেশনের পরিচ্ছন্নতা লক্ষ্য করুন।
ফল ও সবজি ভালোভাবে অনুসরণ করুন
ফল ও সবজি ভোটার আগে পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে নিন। প্রয়োজনে কিছুক্ষণ ভিনে পানিতে ভিজিয়ে নিন।
ফিড পয়জনিং হলে প্রাথমিককরণীয়
ফিড পয়জনিং এগিয়ে দেখা দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
- পর্যাপ্ত পানি ও ওআরএস পান করুন
- ভারী খাবার এ চালান
- বমি বাদিরিয়া বন্ধ করার জন্য নিজে নিজে খাবেন না
- শিশু বা বয়স্ক হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন
কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
প্রমাণের জন্য দেখা অবিলম্বে প্রকাশের শরণা সম্পন্ন হবে—
- বারবার বমি ও মধুরিয়া
- জ্বর ১০১°ফা এর বেশি
- প্রস্রাব নিয়ম করা
- রক্তমিশ্রিত পায়খানা
- শিশুর অস্বাভাবিকতা
ফুড পয়জনিং প্রতিরোধে প্রশ্নতা কেন?
ফিড পয়জনিং প্রতিরোধ করা সম্ভব পাঠ্য খাবারে জ্ঞানের জীবন। ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ—সব স্তরে খাদ্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
১. ফুড পয়জনিং কি নিজে নিজে সেরে যায়?
যদি নদী সেরে যেতে পারে, তবে নদীতে চিকিৎসা প্রয়োজন।
২. ফিড পয়জনিং হলে অ্যান্টিবায়ো টিক?
সব ক্ষেত্রে না। শুধুমাত্র ডাক্তারের পরামর্শ।
৩. শিশুর খাবার পয়জনিং বেশি বিপজ্জনক কেন?
কারণ পানি শূন্যতা দ্রুত হয়।
৪. বাসি খাবার গরম করতে কি পাঠ?
স্বাভাবিক নয়। দীর্ঘ সময় রাখা খাবার পূর্ণ।
৫. ফুড পয়জনিং কি সংক্রামক?
কিছু ক্ষেত্রে হ্যাঁ, বিশেষ করে জনিত হলে।
ফুড পয়জনিং একটি আইনগত সমস্যা। সঠিক খাদ্যাভাস, পরিচ্ছন্ন ও সতর্কতা রক্ষা করলে এই বিপদ অনেকাংশে কমানো সম্ভব। মনে রাখ—খাবার খাবারই শক্তি প্রথম শর্ত।
আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম, যদি আপনার
রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল
এবং আমাদের সেবা পেতে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
আমরা অনলাইনে আছি এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।