
ইসিজি (ইসিজি) কী এবং কেন করা হয়? হার্ট অ্যাটাক, হার্টবিট সমস্যা ও অন্যান্য হৃদরোগ শনাক্তে ইসিজি শক্তি গুরুত্ব, প্রক্রিয়া ও কখন করা প্রয়োজন—জান বিস্তারিত।
ইসিজি (ইসিজি) হৃদরোগ নির্ণয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা
হৃদযন্ত্র মানবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির একটি। হৃৎযন্ত্রের কার্যকারিতা সমস্যা সমাধানের কারণ হতে পারে। মহা চিকিৎসাবিজ্ঞানে হৃদয়রোগ দ্রুত ও নির্ভুলভাবে শনাক্ত করার জন্য পরীক্ষাটি সবচেয়ে বেশি হয় ইজি (ইসিজি – ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম)।
ইসিজি একটি সহজ, শিক্ষা ও দ্রুত শেষ করার চেষ্টা, যা হৃদয়ের বৈদ্যুতিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের হৃদয়রোগ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে।
ইসিজি (ECG) কী?
ইজি (ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম)একটি ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা, যার মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক সংকেত (বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ) রেকর্ড করা হয়। প্রতিবার হৃদস্পন্দনের সময় হৃদপেশিতে যে বৈদ্যুতিক তরঙ্গ তৈরি হয়, ইসিজি সেই তরঙ্গগুলিকে গ্রোফোরো প্রদর্শন করে।
এই গবেষণা বিশ্লেষণ করে হৃদয়যন্ত্রের ছন্দ, ও গঠনে কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কি না তা নির্ণয় করা সম্ভব।
ইসিজি কেন করা হয়?
ইজি করার মূল উদ্দেশ্যহৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক কার্যক্রম মূল্যায়ন করা। পানি ইজি করার প্রধান কারণ উল্লেখ করা—
১. হার্ট অ্যাটাক (হার্ট অ্যাটাক) শনাক্ত করতে
ইসিজি গতি ব্যবহার করাহার্ট অ্যাটাক করা হয়েছে কি না বা আগে করা হয়েছিল তা নির্ণয় করা।
ইজি দ্বারা:
- চলমান হার্ট অ্যাটাক
- উত্তর হার্ট অ্যাক্টর চিহ্ন চিহ্নিত করা সম্ভব।
বুকে ব্যথা, আশ্বস্ত বা ঘাম হলে দ্রুত ইসিজি করা অত্যন্ত জরুরি।
২. হার্টবিট সমস্যা (অ্যারিথমিয়া) নির্ণয়
হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক হার্টবিট সাধারণত প্রতি মিনিটে ৬০–১০০ বার হয়। এই হার্টবিট যদি-
- খুব দ্রুত হয় (ট্যাকিকার্ডিয়া)
- খুব দ্রুত হয় (ব্র্যাডিকার্ডিয়া)
- অনিয়মিত হয়
তাহলে ইসিজির মাধ্যমে তা বিরোধিতা করা যায়।
৩. বুক ব্যথার কারণ নির্ণয়ে
সব বুক ব্যথাই হৃদয়রোগজনিত নয়। ইসিজি ব্যবসার মাধ্যমে—
- বুক ব্যথা হৃদয় যন্ত্রের কারণে তাপ হচ্ছে
- বাস গ্যাস্ট্রিক, পেশি বা অন্য কোনো কারণে
৪. উচ্চ রক্তচাপের প্রভাব মূল্যায়ন
আপনারউচ্চ রক্তচাপ (উচ্চ রক্তচাপ)হৃদযন্ত্রের পেশিকে মোটা ফেলতে পারে (বাম ভেন্ট্রিকুলার হাইপারট্রফি)। ইসিজি দ্বারা এই পরিবর্তনগুলি প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব।
৫. হৃদযন্ত্রে রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা (ইস্কিমিয়া) শনাক্ত করতে
হার্টের পেশিতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন না পাপলে যে অবস্থা হয়, তাকেইস্কেমিয়া (ইস্কেমিয়া)বলা হয়। ইসিজির মাধ্যমে এই অবস্থার ইঙ্গিত পাওয়া যায়, যা নির্দেশ হার্ট অ্যাক্টর হুমকি দিতে পারে।
৬. হৃদযন্ত্রের গঠনগত সমস্যা আলোচনা
ইসিজি থেকে গান পাওয়া যায়—
- হৃদপেশি বড় হয়েছে কি না
- কোনো চেম্বারে সংবাদ চাপ আছে কি না
যদিও বাইরের গঠনগত মূল্যায়নের জন্য ইকোরগ্রামও হয়, তবে ইসিজি প্রাথমিক শিক্ষা দেয়।
৭. পরিস্থিতির বিপরীত প্রতিক্রিয়ায়
কিছু হূদরোগের প্রভাব শক্তির প্রভাব হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যক্রমে ফেলতে পারে। ইসিজি দ্বারা—
- আপনাআপনি শিক্ষাভাবে কাজ করছে কি না
- কোনো ক্ষতিকর পরিবর্তন হচ্ছে কি না তা পরিবর্তন করা হচ্ছে।
৮. আগে ফিটনেস মূল্যায়ন
বড় কোনো ব্যবস্থা বা সার্জারির আগে রোগীর হৃৎপিণ্ডের ব্যবস্থা আছে বিদ্যুৎ শক্তি প্রয়োগ করার জন্য ইসিজি করা হয়।
আপনার ইসিজি করবেন?
তীব্র ব্যক্তিদের বা প্রয়োজনে ইসিজি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—
- বুকে কষ্ট বা বিশ্বাস আছে
- উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস রোগী
- ধূমপায়ী
- হৃদরোগের ইতিহাস আছে
- গত ৪০ বছরের বেশি
- অজ্ঞান হওয়া বা মাথা ঘোরার সমস্যা আছে
ইসিজি পদ্ধতি
ইসিজি একটিসহজ ও ব্যথাহীন পরীক্ষা।
পরীক্ষা পরীক্ষা:
- বুক, হাত ও পায় ইলেক্ট্রোড লাগানো হয়
- রোগীকে স্থিরভাবে শুয়ে বাড়িতে হয়
- ৫–১০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষা শেষ হয়
এই পরীক্ষায় কোনো বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হয় না, শুধুমাত্র হৃদযন্ত্রের সংকেত রেকর্ড করা হয়।
ইসিজি কি ক্ষতিপূরণ?
না। ইসিজি সম্পূর্ণ পাঠ একটি পরীক্ষা।
এতে—
- কোনো ব্যথা নেই
- কোনো রেডিয়েশন নেই
- গ্রোবতী নারীদের জন্য পাঠ
আপনার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে যোগাযোগ করুন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ
ডা: এস.এম সানজিদুল ইসলাম সিদ্দিকী (সবুজ)
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমসিপিএস, এফসিপিএস (মেডিসিন), ডি-কার্ড (বিএসএমএমইউ) (হৃদরোগ),।
মেডিসিন এবং হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,রাজশাহী
যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়
হার্ট এ্যাটাক/হার্টব্লক, বুকে ব্যাথা।
উচ্চ রক্ত চাপ (হাইপারটেনশন)।
হাঁটতে হাপিয়ে যাওয়া/হার্ট ফেইলিওর।
অ্যাঞ্জিওগ্রাম, রিংপ্রেসমেকারওবাইপাসরোগীরপরামর্শ।
হাঁটতে যেয়ে মাথা ঘুরেপরে যাওয়া।
শ্বাস কষ্টে রাতে ঘুমাতে না পারা।
বুক ধড়ফড় করা (প্যালপিটিশন)।
বাতজ্বর ও বাতজ্বর জনিত হৃদরোগ, জন্মগত হৃদরোগ।
উচ্চ রক্তচাপ।
নিম্ন রক্তচাপ।
বুকে ব্যাথা।
বুক ধড়ফড় করা।
পেটে সমস্যা।
রক্তে অতিরিক্ত চর্বি (Hyperlipidemia)।
অকারণ দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, বমিভাব ও বমি হওয়া।
ঘন ঘন জ্বর আসা/কাঁপুনী দিয়ে জ্বর আসা।
প্রস্রাবে ইনফেকশন।
প্রেসার ওঠানামা।
মেডিসিন জনিত সব ধরনের রোগ বিশেষজ্ঞ।
চেম্বার:
মেডিল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
সময়: প্রতিদিন দুপুর ০৪ টা থেকে সন্ধ্যা ০৭টা (শুক্রবার বন্ধ)
আল-আমিন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার
সময়: বিকাল ০৮টা থেকে রাত ১০ টা
ল্যাবএইড ডায়াগনষ্টিক রাজশাহী
সময়ঃ দুপুর০২ থেকে ০৪ টা
ডাক্তার এর পরামর্শ ফ্রিঃ
প্রথম ভিজিটঃ ১০০০ টাকা
দ্বিতীয় ভিজিটঃ ৮০০ টাকা
সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬
ইসিজি কি সব হৃদরোগ শনাক্ত করতে পারে?
ইসিজি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এটিসব হৃদরোগের পরীক্ষা নয়। অনেক ক্ষেত্রে ECG-এর ক্ষেত্রে স্বাভাবিক থাকতে পারে। তখনই পরীক্ষা প্রয়োজন, যেমন—
- ইকোকারিওগ্রাম (ইকো)
- ট্রেড মিল (টিএমটি)
- কার্ডিয়াক এনজিওগ্রাম
ইসিজি (ইসিজি)চাল হৃদরোগ নির্ণয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। বুক ব্যথা, হার্টবিট সমস্যা বা হৃদরোগের ঝুঁকি থাকলে দ্রুত ইসিজি করা জীবনরক্ষা করতে পারে।
সঠিক সময়ে পরীক্ষাক্যামিওলজিস্টের পরামর্শহৃদয় শক্তি প্রয়োগের জন্য।
আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম, যদি আপনার
রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল
এবং আমাদের সেবা পেতে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
আমরা অনলাইনে আছি এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।