আপডেট
ডাঃ শেখ মোঃ নাফিস কবির / হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ-রাজশাহীডাঃ পি সি দাস  প্লাস্টিক সার্জারী বিশেষজ্ঞ-রাজশাহীরাজশাহী ব্লাড ব্যাংকডাঃ রোখসানা আমিন/ চর্ম, যৌন, এ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ / রাজশাহী পপুলারপপুলার হাসপাতালের ডাক্তারদের তালিকা, রাজশাহী পপুলার ।
6978ca724e66e

স্ট্রোক কী, কেন হয় এবং স্ট্রোকের সতর্ক সংকেত কী? স্ট্রোকার দ্রুত প্রাথমিক, বিপদের কারণ ও কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন জে নিন বিস্তারিত।

স্ট্রোক কেন একটি জরুরি অবস্থা?

স্ট্রোক এমন একটি ও জীবনহানিকর রোগ, যা সফলভাবে পাস করে এবং খুব অল্প কয়েকটি জিনিষের মধ্যে মানুষের জীবন ও কর্মক্ষমতা স্থায়ীভাবে বিপরীত হতে পারে। স্ট্রোক হলে নির্দিষ্ট অংশে রক্ত ​​সরবরাহ স্বাভাবিক হলে তা বন্ধ হয়ে যায়, অংশের অংশের সম্পর্কগুলো অক্সিজেন অকলিমিটি হয় বা মারা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) অনুযায়ী, স্ট্রোক বিশ্ব বিকল্প ব্যবস্থা প্রধান এবং দীর্ঘমেয়াদি পঙ্গুতার বড় কারণ একটি। তবে আশার কথা—স্ট্রোকারসতর্কতা সংকেতগুলি সময়মতো চিনতেএবং দ্রুত চিকিৎসা নিলে অনেক ক্ষেত্রেই বড় ক্ষতি করা সম্ভব।

স্ট্রোক কী?

স্ট্রোক (স্ট্রোক)একটি নিউরোলজ সক্রিয় অবস্থা, যেখানে রক্তে রক্ত ​​প্রবাহে বাধা বন্ধ হয় অথবা রক্তের কোনো রক্তনালি ফেটে যায়। এর ফলে পুরুষের নারীদের পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও প্রস্তাবনা দ্রুত পাওয়া যায়। কয়েক মিনিটের মধ্যে মেডের রক্ত ​​মারা শুরু করতে, তাই স্ট্রোক মেড যুক্ত ইমার্জেন্সি বলা হয়।

স্ট্রোকার প্রকার ভেদ

স্ট্রোক সাধারণত তিন ধরনের হয়, এবং কারণ ও চিকিৎসা পদ্ধতি ভিন্ন।

১. ইস্কেমিক স্ট্রোক (ইস্কেমিক স্ট্রোক)

এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় (৮০-৮৫%)। কোনো রক্তনালি রক্ত ​​জমাট বাঁধা (জমাট বাঁধা) দ্বারা বন্ধ হয়ে এই ধরনের স্ট্রোক হয়। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল ও হৃদরোগ এর প্রধান কারণ।

২. হেমোরেজিক স্ট্রোক (হেমোরেজিক স্ট্রোক)

এই ধরনের স্ট্রোক হয় যখন রক্তের কোনো রক্তনালি ফেটে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এটি সাধারণ অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, ব্রেইন অ্যানিউরিজম বাচের কারণে সময়।

৩. ট্রানজিয়েন্ট ইস্কেমিক অ্যাটাক (টিআইএ) বা মিনি স্ট্রোক

এটি সাময়িক স্ট্রোক, যেখানে কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘন্টার মধ্যে যেতে পারে। তবে এটিকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়, কারণ এটি বড় স্ট্রোকার পূর্বাভাস হতে পারে।

স্ট্রোকার? সতর্ক সংকেত কী কী?

স্ট্রোকার সাধারণতহাতাৎ করেশুরু হয়। নিখুঁত স্ট্রোকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেতগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা।

১. মুখ বেঁকে নেওয়া (মুখ নিচু করা)

আকাশ করে মুখের এক পাশকে নেওয়া বা হাসতে অনেক পাশ ঠিকমতো না উঠা স্ট্রোকার প্রধান। এটি বন্ধের মুখ নিয়ন্ত্রণকারী অংশ অংশ ইঙ্গিত দেয়।

২. হাত বা পা তৈরি করা

একর দেওয়া হাত বা পাকে এগিয়ে নেওয়া, অবশ লাগা বা নড়াচড়া করতে সমস্যা স্ট্রোকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত। অনেক সময় রোগী হাতের কাছে রাখতে পারেন।

৩. কথা বলতে বলতে সমস্যা

পাক কথা নেতা নেতা, মতপ্রকাশ করে কথা বলতে, অন্যের কথা আলোচনা না হওয়া— স্ট্রোকার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

৪. আকাশ ঝাপসা দেখা

এক বা দুই নেতা কামাল কম, ঝাপসা অন্ধকার হওয়া স্ট্রোক দেখা সম্পূর্ণ হতে পারে।

৫. তীব্র মাথাব্যথা

অগ্নিসংযোগ করে অস্বাভাবিক তীব্র মাথাব্যথা বমি বা অজ্ঞান পরিস্থিতিতে সঙ্গে থাকলে এটি হেমোরাজিক স্ট্রোকার বিশেষ করে হতে পারে।

৬. মাথা ঘোরা ও ভরসাম্য হারানো

আকাশ মাথা ঘোরা, হাঁটতে সমস্যা সমাধান, পাস ভরসাম্য রাখতে না পারা স্ট্রোকার প্রাথমিক সতর্ক সংকেত হতে পারে।

দ্রুত পদ্ধতি: স্ট্রোক চেনার সহজ উপায়

স্ট্রোক দ্রুত চিনতেদ্রুতপদ্ধতি কার্যকর—

  • এফ (মুখ)– মুখ বেঁকে গেছে কি না
  • ক (বাহু)– হাত পারছে কি না
  • এস (বক্তৃতা)– কথা বলে যাচ্ছে কি না
  • টি (সময়)– তাদের না করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া

সময়ই এখানে সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর।

স্ট্রোক গুরুত্বপূর্ণ কারণ

স্ট্রোক অংশ বেশ কিছু কার্যকর কারণ কাজ করে—

  • উচ্চ রক্তচাপ
  • ডায়াবেটিস
  • হৃদয়
  • শুধু কোলেস্টেরল
  • উমপান ও অ্যালকোহল
  • স্থুলতা
  • অনিয়মিত জীবন
  • আন্তর্জাতিক ইতিহাস

কখন দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাবেন?

স্ট্রোকার কোনোএক মিনিটের জন্য অহেলা করা যাবে না। আমার দেখা মাত্রই রোগীকে সামনে নিয়ে যেতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে প্রথম ৩৪.৫ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা শুরু করতে অনেক বড় ক্ষতি করা সম্ভব।

কোন ডাক্তার দেখাতে হবে?

স্ট্রোক হলে দ্রুতনিউরোলজি অনুমোদন (নিউরোলজিস্ট)এর চিকিৎসা প্রয়োজন। প্রয়োজনে মেডিসিন ও নিউরোসার সহায়তাও লাগতে পারে।

সহকারী অধ্যাপক ডা: এবিএম মাহবুবুল হক লিমন

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),
এমডি (নিউরো মেডিসিন)
এ্যাডভান্সড ট্রেনিং অন নিউরোফিজিওলজী (NINS & H, Dhaka)

নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ
ব্রেন, নার্ভ, স্পাইন, স্ট্রোক, প্যারালইসিস, মৃগীরোগ, মাথা ও কোমর ব্যাথা রোগ বিশেষজ্ঞ

সহকারী অধ্যাপক
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী।

ডাঃ এবিএম মাহবুবুল হক লিমন রগ ও নিউরোলজি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীতে যেসকল চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন:

মাথার সমস্যাঃ

1. স্ট্রোক
2. মাথা ব্যাথা
3. মৃগী রোগ
4. প্যারালাইসিস
5. মাথায় পানি জমা
6. মাথার রক্ত নালির সমস্যা
7. মাথায় রক্তক্ষরন
8. খিচুনি
9. মাথা ঘোরা

মেরুদন্ডের সমস্যাঃ

1. গাঢ় ব্যাথা, কোমড় ব্যাথা
2. হাতে পায়ে দুর্বলতা
3. পিঠে ব্যাথা, হাঁটুতে ব্যাথা
4. বাত ব্যাথা
6. হাত-পা কাঁপা
7. গিরায় গিরায় কাঁপা

চেম্বার:
ইউনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার
সময়: প্রতিদিন  ০২ টা থেকে ০৫টা

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহী
সময়: শনি থেকে বৃহস্পতি: সন্ধ্যা ০৭  টা থেকে  রাত ১০টা


সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
            হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬

স্ট্রোক প্রতিরোধে করণীয়

  • রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা
  • ব্যায়াম করা
  • স্বাস্থ্যকর খাবার
  • উমপান ও অ্যালকোহল পরিহার
  • স্বাস্থ্য পরীক্ষা

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

১. স্ট্রোক কি সম্পূর্ণ ভালো হয়?

সময়মতো চিকিৎসা ও রিহ্যাবিলিটেশন গ্রুপ অনেক রোগীর মহিলা ফিরতে পারেন, তবে কিছু ক্ষেত্রে স্থায়ী সমস্যা হতে পারে।

২. তরুণ পুরানো কি স্ট্রোক হতে পারে?

হ্যাঁ, বর্তমানে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার কারণে তরুণদের মধ্যেও স্ট্রোকার বিপদজনক।

৩. স্ট্রোক কি উন্নয়ন হয়?

হ্যাঁ, বড় ক্ষেত্রে স্ট্রোক সফলভাবে পাস করা।

৪. স্ট্রোকার পর কী সমস্যা হতে পারে?

পক্ষাঘাত, কথা বলতে সমস্যা, স্মৃতিভ্রংশ, হাঁটাচলায় সমস্যা ইত্যাদি হতে পারে।

৫. স্ট্রোক হলে চিকিৎসা সেবা কি যথেষ্ট?

না। স্ট্রোক একটি মেড যুক্ত ইমার্জেন্সি—এতে ঘরোয়া চিকিৎসার সুযোগ নেই।

আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতমযদি আপনার

রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল 

এবং আমাদের সেবা  পেতে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩২৬-৬৩৩১৬০

আমরা অনলাইনে আছি এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।

Sozol Mahmud (Nishan)

(BSc) in Laboratory Medicine, Rajshahi Medical University.