আপডেট
ডাঃ শেখ মোঃ নাফিস কবির / হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ-রাজশাহীডাঃ পি সি দাস  প্লাস্টিক সার্জারী বিশেষজ্ঞ-রাজশাহীরাজশাহী ব্লাড ব্যাংকডাঃ রোখসানা আমিন/ চর্ম, যৌন, এ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ / রাজশাহী পপুলারপপুলার হাসপাতালের ডাক্তারদের তালিকা, রাজশাহী পপুলার ।
697b2cc32ca65

গ্যাস্ট্রিক ও এসিডিটি কেন হয়: গ্যাস্ট্রিক কমতে ঘরোয়া উপায় কী? গ্যাস্ট্রিক কেন হয়, আপনার জীবনযাপনে সমস্যা প্রাকৃতিকভাবে গাস্ট্রিকের কমানোর বিস্তারিত গাইড।

বর্তমান সময়েগ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসি ডিটারসমস্যা বাংলাদেশ সহ বিশ্বব্যাপী আশঙ্কাজনকভাবে তৈরি করুন। অনিয়মিত খাবার আলোচনা, দীর্ঘ সময় না থাকা পর্যবেক্ষণ, চা-কফি পান, ফাস্টফুড ও ভাজাপোড়ার আধিক্য, চাপ এবং ঘুমের অনিয়ম— সব নিয়ন্ত্রণ গ্যাস্ট্রিক প্রায় বিপরীত উদ্ভূত একটি সমস্যা। শহরাঞ্চলে কর্মব্যস্ত মানুষদেরও গ্রামেও এই সমস্যাটি কারণেই।

ক্ষমতায়ন সাময়িক আর বারবার গ্যাস্ট্রিক সমস্যা খান, কিন্তু জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন না করে বারবার ফিরে আসে। এ কারণে গ্যাস্ট্রিক কমাতে পড়া ও কার্যকরঘোড়া উপায়জানতে এবং তা অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।

গ্যাস্ট্রিক কি?

গ্যাস্ট্রিক বলতে সাধারণভাবে পাক্খীতে অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরি বা হজমের সমস্যাকে বোঝায়। পাক কৌতুহল পড়া হজমের জন্য স্বাগতিক অ্যাসিডেন্ট হয়, কিন্তু এই অ্যাসিডের স্থির করা যায় বা পাক ক্ষীরের প্রয়োজনের অতিরিক্ত চাপ, তখন বুকজ্বালা, পেটে ব্যথা, ঢাক, ঢেকুর ও বমিভাবে যেমন সমস্যা দেখা দেয়—যাকে আমরা গ্যাস্ট্রিক বলি।

গ্যাস্ট্রিকের প্রধান কারণ

গ্যাস্ট্রিক উত্তর বর্ণনা কারণ কাজ করে। সময় না থাকা আসন, ঝাল-মশলাযুক্ত খাবার, ভাজাপোড়া ও তেলচর্বিযুক্ত খাবার, ধূমপান, অ্যাকোহল গ্রহণ, জোর চাপ, অনিদ্রা এবং দীর্ঘ কিছু (যেমন ব্যথানাশক) সেবন গ্যাস্ট্রিকের ঝুঁকি বাড়ায়। আরও হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি নাম জীবাণু সংক্রমণও গ্যাস্ট্রিক ও আলসারের কারণ একটি বড়।

গ্যাস্ট্রিকের সাধারণ

গ্যাস্ট্রিক হলে সাধারণত পেটে জ্বালাপোড়া, বুকজ্বালা, পেট ফাঁপা, অতিরিক্ত ঢেকুর, বমি বমি ভাব, আবার অরুচি এবং কখনও বুকে চাপ অনুভূত হয়। আবেগ অবহেলাকে আলসার বা রক্তক্ষরণের মতো দেখা দিতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক কমাতে কার্যকর ঘরোয়া উপায়

পানি গ্যাস্ট্রিক কমতে পরী জগত ও খাবার কিছু ঘরোয়া উপায়ে বিস্তারিত আলোচনা করা—

প্যাঁচ ও সময়মতো আলোচনার অভ্যাস সম্পূর্ণ তুলুন

গ্যা স্ট্রিক কমানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় নির্ধারণ ও নির্দিষ্ট সময়ে আলোচনা করা। দীর্ঘ সময় না চাই থাকতে পাক্কিতে অ্যাসিড জমে গিয়ে সমস্যা বাড়ে। বার বার করে সন্তান ৩–৪ বার পরামর্শ অভ্যাস তুললে গ্যাস্ট্রিকের বিপদ অনেকটাই ভুল।

কুসুম গরম পানি পান করুন

শান্তি খালি পেটে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করতে হজম শক্তি এবং পাকীর অতিরিক্ত অ্যাসিড পার্টিকে সাহায্য করে। টালিদিন পর্যাপ্ত পানি কোথাকার সমস্যা ও সমস্যা।

আদা: প্রাকৃতিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রক

আদা গ্যাস্ট্রিক কমাতে অত্যন্ত কার্যকর একটি প্রাকৃতিক উপাদান। আদার মধ্যে স্থায়ী জিঞ্জারল নামক উপাদান হজমে সাহায্য করে এবং পাক কবীর প্রদাহ কমায়। আদা চা বা কাঁচা কাঁচা আদা চিবিয়ে পদ্ধতি গ্যাস্ট্রিকের উপসর্গ কমতে পারে।

দই ও প্রোবায়োটিক খাবার গ্রহণ করুন

এর মধ্যে থাকা ভাল ব্যাকটেরিয়া হজম প্রক্রিয়াকে স্বাগতিক দইয়ের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমায়। নিয়োগ টক-মিষ্টি ছাড়া সাধারণ দই স্ট্যাটাস গ্যাস্ট্রিক ও বদজমের সমস্যা অনেক অংশে দলেহ।

কলা ও সহজপাচ্য ফল খান

কলা পাক করতেকীর অ্যাসিড শোষণ এবং গ্যাস্ট্রিকের শক্তি কমায়। আর আপেল, পেঁপে ও নাশপাতির মতো সহজপাচ্য ফল হজমে সহায়ক এবং কমতে সাহায্য করে।

ঝাল ঝাল ও ভাজাপোড়া খাবার এ চলুন

গ্যাস্ট্রিকের সময় অতিরিক্ত ঝাল, ভাজাপোড়া টক ওচর্বিযুক্ত খাবার পাক্কীতে অ্যাসিডের ক্ষমতা ক্ষমতা দেয়। সাধারণ খাবার কমিয়ে সেদ্ধ, হালকা কম মসলাযুক্ত খাবার আলোচনার অভ্যাস দ্রুত তুললে গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণে আসে।

চাপ চাপ কমান

ভীড় চাপ পাক্কীর উপর প্রভাব ও অ্যাসিড নিঃসরণ বাড়ায়। শান্তি নামাজ, হাইপো ব্যাপ্তি ব্যায়াম ও পর শান্ত মে কমিয়ে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমাতে।

খাবারের পরপরই শুয়েন না

মনের পর পরই শুয়ে পড়লে পাক্‌কীর অ্যাসিড নীতির দিকে লক্ষ্য করে আঘাত করে। খাবারের পরের জয় ঘন্টা ৩ ঘন্টা সোজা হয়ে বা হাই ২– হাঁটাহাঁটি করা উচিত।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

যদি ঘরোয়া নীতি অনুসরণ করার পরও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকে, বারবার বমি হয়, কালো পায়খানা হয় বা কমতে হয়—তাহলে অবশ্যই মনের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। প্রয়োজনেগ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টবা মেডিসিনেরপরামর্শ নিতে হবে।

বিভাগীয় প্রধান ডাঃ মনজুরুল চৌধুরী

এমবিবিএস(ঢাকা), বিসিএস
এফসিপিএস(মেডিসিন)
এমডি(গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী)

সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান গ্যাস্ট্রো-এন্টারোলজী বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ,রাজশাহী।

যে সকল বিষয়ে সু-চিকিৎসা সেবা দেন ডা: মনজুরুল চৌধুরী:

1. পেট ফাঁপা/গ্যাসের সমস্যা/অতিরিক্ত এসিডিটি।
2. লিভার জন্ডিস
3. হেপাটাইটিস বি ও সি-ভাইরাস।
4. লিভার সিরোসিস।
5. প্যানক্রিয়াটাইটিস।
6. এন্ট্ররাল গ্যাস্টাইটিস।
7. খাদ্যনালী, পাকস্থলীতে ক্ষত বা ঘা।
8. ক্ষুধামন্দা/বমিবমি ভাব হওয়া, খাবারের অরুচি।
9. লিভারে চর্বি।
10. পেটের সকল ধরনের পীড়ারোগ।
11. উচ্চ রক্তচাপ।
12. নিম্ন রক্তচাপ।
13. বুকে ব্যাথা।
14. বুক ধড়ফড় করা।
15. পেটে সমস্যা।
16. রক্তে অতিরিক্ত চর্বি (Hyperlipidemia)।
17. অকারণ দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, বমিভাব ও বমি হওয়া।
18. ঘন ঘন জ্বর আসা/কাঁপুনী দিয়ে জ্বর আসা।
19. প্রস্রাবে ইনফেকশন।
20. প্রেসার ওঠানামা।

চেম্বার:

গ্রীন সিটি হাসপাতাল & নিউরো কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার,

রাজশাহী, শেরশাহ্ রোড,ঝাউতলা মোড়,ডিবি অফিসের পাশে,লক্ষ্মীপুর রাজশাহী।

সময়: শনি-বৃহ: দুপুর ১১ টা- বিকাল ০৪  টা,

ল্যাবএইড ডায়াগনষ্টিক রাজশাহী
সময়: বিকাল সাড়ে ০৪ টা- রাত ০৯টা

ভিজিট ফি:
নতুন রোগী: ৮০০ টাকা
পুরাতন রোগী: ৬০০ টাকা
(দুই মাসের মধ্যে)


সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৩২৬-৬৩৩১৬০
            হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ০১৭৬৬-০৮৬৭১৬

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

১️⃣ গ্যাস্ট্রিক কি ভালো হয়?

সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পথ চললে গ্যাস্ট্রা নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব এবং অনেক ক্ষেত্রে ভালো ভালোও হয়।

২️⃣ খালি পেটে চা পরীক্ষা কি গ্যাস্ট্রিক বাড়ে?

হ্যাঁ, খালি পেটে চা বা কফি পানে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়তে পারে।

৩️⃣ গ্যাস্ট্রিক হলে কি দুধ খাওয়ানো যাবে?

স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে দুধে আরাম হয়, আবার ব্যবস্থায় সমস্যা বাড়ে। নিজের রূপ আচরণ করা উচিত।

4️⃣ গ্যাস্ট্রিকের জন্য কি প্রতিদিন বিচার পরীক্ষা?

নিজে নিজে চেষ্টা করতে হবে না। প্রয়োজনে পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

৫️⃣ গ্যাস্ট্রিক কি আলসারে রূপ নিতে পারে?

হ্যাঁ, অবহেলা গ্যাস্ট্রিক থেকে আলসার হতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক একটি সাধারণ কিন্তু অবহেলা করতে সমস্যা। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ঘরোয়া উপায়, সঠিক খাদ্যাভাস ও স্বাস্থ্যের যত্ন নিলে গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। পরীক্ষা স্বাস্থ্যকর অভ্যাসই হতে পারে গ্যাস্ট্রিক রিলিফ থেকে সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।

আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতমযদি আপনার

রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য ও সিরিয়াল 

এবং আমাদের সেবা  পেতে যোগাযোগ করুনঃ ০১৩২৬-৬৩৩১৬০

আমরা অনলাইনে আছি এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।

Sozol Mahmud (Nishan)

(BSc) in Laboratory Medicine, Rajshahi Medical University.